নিজস্ব প্রতিবেদক : মাহবুবুর রহমান
দীর্ঘ দুই দশকের প্রতীক্ষা আর রাজনীতির নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল বাংলাদেশ। আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের বিশাল দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এক ঐতিহাসিক ও রাজকীয় অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান। এর মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটল ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৮ মাসের মেয়াদ এবং শুরু হলো বিএনপির একক শাসনের নতুন জমানা।জনসমুদ্রে পরিণত সংসদ চত্বরপ্রথা ভেঙে বঙ্গভবনের চার দেয়ালের বাইরে উন্মুক্ত চত্বরে এই শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দুপুরের পর থেকেই রাজধানীসহ সারাদেশের মানুষ সংসদ এলাকায় ভিড় জমাতে শুরু করেন। ব্যানার, ফেস্টুন আর স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। উপস্থিত ছিলেন বিদেশি কূটনীতিক, বিশিষ্ট নাগরিক এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।মন্ত্রিসভার শপথ ও তারুণ্যের জয়জয়কারপ্রধানমন্ত্রীর শপথের পর রাষ্ট্রপতি নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পাঠ করান। এবারের মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ রাজনীতিকদের পাশাপাশি রেকর্ডসংখ্যক তরুণ ও নতুন মুখ স্থান পেয়েছেন। মোট ৪৯ সদস্যের এই মন্ত্রিসভায় ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন।জাতির উদ্দেশ্যে প্রথম ভাষণশপথ নেওয়ার পর জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া সংক্ষিপ্ত কিন্তু শক্তিশালী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন:”আজকের এই দিনটি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের। আমরা কোনো প্রতিহিংসার রাজনীতি করতে আসিনি। আমাদের লক্ষ্য একটি বৈষম্যহীন, ইনসাফভিত্তিক আধুনিক বাংলাদেশ গড়া। আজ থেকে বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান হলো।”

Leave a Reply