1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কুড়িগ্রামে ত্রাণের কাজ যেন প্রাণ নেই ​জনবান্ধব নেতৃত্বে বদলে যাচ্ছে করপাড়া: সেবার অনন্য দৃষ্টান্ত চেয়ারম্যান এস.এম. হাবিবুর রহমান তারগঞ্জে মিনি পাম্পে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা বাংলাদেশি ভেবে দুই ভারতীয় নাগরিককে গুলি করে সীমান্তে ফেলে যাওয়ার অভিযোগ বিএসএফের বিরুদ্ধে ​গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত কিশোরগঞ্জে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে অবসর শিক্ষকদের সংবর্ধনা জনসেবা ও মানবিকতায় প্রশংসিত তারাগঞ্জের ইউএনও মোনাববর হোসেন কুড়িগ্রামে গাছে গাছে মুগ্ধর বাণি মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে চারপাশে একটি সাহসী সিদ্ধান্তই বদলে দিতে পারে বাংলাদেশের শিক্ষা-ইতিহাস বৈচিত্র্যের ঐক্যে এক অনুপম সত্য

কুড়িগ্রামে ত্রাণের কাজ যেন প্রাণ নেই

  • প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৮৬ বার পড়েছেন

হুমায়ুন কবির সূর্য, কুড়িগ্রাম: ০৬-১০-২০২৬

কুড়িগ্রামে ত্রাণের কাজে যেন প্রাণের কোন স্পর্শ থাকে না। ঝুলন্ত ব্রিজে বাঁশের চাটাই বেয়ে ওঠানামা করতে গিয়ে নানারকমের বিড়ম্বনার শিকার এক শিক্ষার্থী বলেই ফেলল, ‘ত্রাণের কাজে কোন প্রাণ নেই। ব্রিজ করেছে কিন্তু দুপাশে মাটি দেয়নি। ফলে আগে কাদামাটি ও হাঁটু পানি পেরিয়ে স্কুলে যেতে হয়েছে। এখন চাটাইয়ের পাহাড় বেয়ে ব্রিজে উঠতে নামতে হচ্ছে ঝুঁকি নিয়ে। এরা যেখানেই কাজ করে সেখানেই এরকম পরিস্থিতি। এদের কাজে কোন প্রাণ থাকে না।’
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার সদর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ব্রিজটি যেন গলার কাটা হয়ে রয়েছে স্থানীয়দের কাছে। একদিকে রাজারহাট সদর ইউনিয়নের নাটুয়ামহল গ্রাম অপরদিকে ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের চেতনা গ্রাম। এই দুই গ্রামের সীমান্ত এলাকায় ছিঁড়ারপাড় নামক খালের উপর নির্মাণ করা হয় ৭ দশমিক ৩মিটার দৈর্ঘ্যরে ব্রিজটি। ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের অধীন গ্রামিণ মাটির রাস্তায় সেতু/কালভার্ট নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ২৯ লক্ষ ২৬ হাজার ২৮২টাকা ব্যয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়। ২০২৫ সালের জুন মাসে এর কার্যক্রম শুরু করা হয়।

লম্বা সময় নিয়ে ব্রিজটি নির্মাণ করা হলেও সংযোগ সড়কের দুদিকে কোন মাটি না দেয়ায় ব্রিজটি নিরাপদভাবে ব্যবহার করতে পারেনি এলাকাবাসী। এরফলে বর্ষাকালে বিকল্প পথে প্রায় ২/৩কিলোমিটার ঘুরে যাতায়াত করতে বাধ্য হন তারা। সম্প্রতি মিডিয়ায় ব্রিজটি নিয়ে বিস্তর লেখালেখির পর ব্রিজের দু’পাশে বাঁশের চাটাই বা চড়াট দেয়া হয়েছে। এতে করে ভ্যান, অটোরিক্সা কিংবা মটর সাইকেল এই ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করতে পারে না। যারা ছোটখাটো ব্যবসার সায়ে যুক্ত তারাও এই পথ এড়িয়ে চলেন। এলাকায় গুরুতর কোন রোগী থাকলে তাকে অনেক পথ ঘুরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এতে বিরক্ত এলাকার মানুষ। বিশেষ করে প্রতিদিন স্কুলে গমন করা শিক্ষার্থীরা পরেছে চরম বিড়ম্বনায়। ৬ফুট খাঁড়া উঁচু চাটাই পেরুতে অনেক সময় ভয় পান তারা।


৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলোরানী জানান, ‘সাইকেল নিয়ে বাঁশের চাটাই বেয়ে উপরে উঠতে এবং নামতে আমাদের ভয় লাগে। অনেক সময় দুর্ঘটনায় পরে যাই।’
চেতনা গ্রামের নয়াবাড়ি এলাকার শরীফ উদ্দিনের ছেলে আবু হানিফ (৪৪) জানান,‘ব্রিজের দু’পাশে মাটি না দেয়ায় কিছুদিন আগেও স্কুলের ছেলেমেয়েরা এবং হাটবাজার করতে যাওয়া মানুষরা হাঁটু পানি পেরিয়ে যাতাযাত করেছে। অনেক বলাবলির পর মাটির বদলে চাটাই দিয়েছে। এতে করে অন্য যানবাহন চলাচল করতে পারে না।’
নাটুয়াপাড়া গ্রামের আব্দুল আজিজ (৪৮) জানান,‘চেতনা, নাটুয়া, পোদ্দারপাড়া, নয়াবাড়ি, শামকালিয়া, রামপাড়া গ্রামের প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার মানুষের যাতায়াতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। ঠিকাদার সময়মতো কাজ করলে এই ভোগান্তি হতো না।’


এ ব্যাপারে রাজারহাট সদর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার ও নাটুয়ামহল গ্রামের অধিবাসী মো. ইদ্রিস আলী বলেন,‘ব্রিজের দু’পাশে মাটি না দেয়ায় মানুষের খুব ভোগান্তি হচ্ছে। আমি চাই দ্রæত সমস্যাটির সমাধান করা হোক।
বিষয়টি নিয়ে রাজারহাট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘আমি ঢাকায় প্রশিক্ষণে আছি। ঠিকাদারের সাথে কথা হয়েছে। আগামি সপ্তাহ থেকে কাজ শুরু করা হবে। স্থানীয়রা মাটি না দেয়ায় সমস্যা সৃষ্টি হয়। ঠিকাদার সেখানে ভেকু নিয়ে গেলেও কাজ করতে দেয়নি। ফলে কাজে বিলম্ব হয়েছে। সবার সাথে কথা হয়েছে, আশা করছি এই সমস্যা আর থাকবে না।’#

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর