1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
তারাগঞ্জে ব্যবসায়ীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি রংপুর মেডিকেলে সিরাজদিখানে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য গভীর নলকূপ স্থাপন ও উদ্বোধন কিশোরগঞ্জে ইউনিক কিন্ডারগার্টেন পরিচালকের ওপর হামলা জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্মারকলিপি মোরেলগঞ্জে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৪২ শিক্ষার্থী পেলেন সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় পবনবেগ নূরানী মাদ্রাসার আহ্বায়ক হলেন বিএনপি নেতা নুর জামাল খসরু সরকারি উদ্যোগের অপেক্ষায় না থেকে নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই বদলালেন কাশিয়ানীবাসী! কুড়িগ্রামে ৮বছরের শিশুর কাঁধে ৬জনের পরিবারের বোঝা পাটুলে নৌকা ভ্রমণে গিয়ে পানিতে ডুবে নন্দীগ্রামের স্কুলছাত্রের মৃত্যু আলফাডাঙ্গায় টগরবন্ধ ইউনিয়ন যুবসমাজ আয়োজিত ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত ​সেবা, সততা ও মানবিক নেতৃত্বের অনন্য নজির গড়ে আলফাডাঙ্গা ছাড়লেন ইউএনও রিফাত নূর মৌসুমী

রাজধানী ঢাকার উত্তরা উত্তরখান দক্ষিন খান ও তুরাগ এলাকায় মশার উপদ্রব চরমে

  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৯৫ বার পড়েছেন

মোঃরফিকুল ইসলাম মিঠু ঢাকা।।

রাজধানী ঢাকার উত্তরা উত্তরখান দক্ষিন খান ও তুরাগ এলাকায় মশার উপদ্রব চরমে। ঔষধ প্রয়োগে অনিয়ম।

রাজধানীর ১৯৬ দশমিক ২২ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে ডিএনসিসির ৫৪টি ওয়ার্ড। ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরে মশা নিধনে প্রায় ১১০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এর মধ্যে মশা নিধনে কীটনাশক কিনতে রাখা হয় ৬৫ কোটি টাকা। বাকি অর্থ ফগার, হুইল, স্প্রে মেশিন ও পরিবহন, ব্লিচিং পাউডার ও জীবাণুনাশক এবং মশা নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রপাতি কিনতে বরাদ্দ রাখা হয়। এ টাকা দিয়ে ডিএনসিসির ৫৪টি ওয়ার্ডে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

ডিএনসিসির মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করে সংস্থাটির স্বাস্থ্য বিভাগ। এই বিভাগ সূত্র জানায়, গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের আগ পর্যন্ত মশক নিধন কার্যক্রম ঠিকমতোই চলছিল। কারণ, ওই সময় সংস্থাটির মেয়র আতিকুল ইসলামের তৎপরতা চোখে পড়ার মতো ছিল। তাকে মেয়র পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পর থেকে ডিএনসিসির মশক নিধন কার্যক্রম ভেঙে পড়ে। এখন যারা মশার ওষুধ ছিটান, তাদের তেমন কোনো জবাবদিহি নেই। ফলে ডেঙ্গুর পর কিউলেক্স মশা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।

আগে মশা নিধনে জনসচেতনতা তৈরিতে ডিএনসিসির সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) ও জাতীয় স্কাউট দল। মূলত তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মশক নিধন কার্যক্রম ও জনসচেতনতা সৃষ্টির কাজ করেছে। এছাড়া যেসব ভবনে এডিসের লার্ভা পাওয়া যাচ্ছিল তাদের জরিমানাও করছিলেন ডিএনসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরিত্যক্ত পণ্য কেনার একটি প্রকল্পও চলমান ছিল। এখন কোনো কর্মসূচিই নেই।

মশারী ছাড়া দিনের বেলায় ঘরে ও অফিসে বশা মুশকিল। 

নিম্নমানের  ঔষধ সামগ্রী ব্যাবহার ও ধুঁয়া  মানবদেহের জন্য কতটা ক্ষতিকারক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরাই ভালো জানেন। 

এলাকাবাসীর দাবি

​তুরাগ ও উত্তরখান এলাকার বাসিন্দাদের প্রাণের দাবি— অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে মশা নিধন করা হোক। অন্যথায় মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত নজর না দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর