1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে – মাওলানা আন্তাজুল ইসলাম সাংবাদিক নেতা আবু জাফর সূর্য গ্রেফতার চিলমারীতে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামের রৌমারীতে স্কুল ঘেঁষে ইট ভাটা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা চুরির প্রতিবাদ করায় ঘেরে বিষ ঢেলে ৪ লাখ টাকার মাছ নিধন: আলফাডাঙ্গায় প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে অভিযোগ বগুড়ার নন্দীগ্রামে ‘ক্লিন ইমেজ’ ও শহীদ জিয়ার আদর্শের বিশ্বস্ত সৈনিক মতিউর রহমান মুসা শার্শায় ভিক্ষুক পুনর্বাসনে দুই প্রতিবন্ধীকে ভ্যান প্রদান: ‘আর ভিক্ষা নয়, এবার খেটে খাব’ কুড়িগ্রামে সেবাপ্রদানকারী সংস্থা ও সেবাগ্রহীতা নারীদের সাথে সংলাপ অনুষ্ঠিত ২০ বছরেও বদলায়নি সড়কের চিত্র, কাদা-গর্তে বন্দি ১০ হাজার মানুষের জীবন! পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাস ও দেশকে অস্থিতিশীল এবং ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে শার্শার বাগআঁচড়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত

রাজধানী ঢাকার উত্তরা উত্তরখান দক্ষিন খান ও তুরাগ এলাকায় মশার উপদ্রব চরমে

  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১১০ বার পড়েছেন

মোঃরফিকুল ইসলাম মিঠু ঢাকা।।

রাজধানী ঢাকার উত্তরা উত্তরখান দক্ষিন খান ও তুরাগ এলাকায় মশার উপদ্রব চরমে। ঔষধ প্রয়োগে অনিয়ম।

রাজধানীর ১৯৬ দশমিক ২২ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে ডিএনসিসির ৫৪টি ওয়ার্ড। ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরে মশা নিধনে প্রায় ১১০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এর মধ্যে মশা নিধনে কীটনাশক কিনতে রাখা হয় ৬৫ কোটি টাকা। বাকি অর্থ ফগার, হুইল, স্প্রে মেশিন ও পরিবহন, ব্লিচিং পাউডার ও জীবাণুনাশক এবং মশা নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রপাতি কিনতে বরাদ্দ রাখা হয়। এ টাকা দিয়ে ডিএনসিসির ৫৪টি ওয়ার্ডে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

ডিএনসিসির মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করে সংস্থাটির স্বাস্থ্য বিভাগ। এই বিভাগ সূত্র জানায়, গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের আগ পর্যন্ত মশক নিধন কার্যক্রম ঠিকমতোই চলছিল। কারণ, ওই সময় সংস্থাটির মেয়র আতিকুল ইসলামের তৎপরতা চোখে পড়ার মতো ছিল। তাকে মেয়র পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পর থেকে ডিএনসিসির মশক নিধন কার্যক্রম ভেঙে পড়ে। এখন যারা মশার ওষুধ ছিটান, তাদের তেমন কোনো জবাবদিহি নেই। ফলে ডেঙ্গুর পর কিউলেক্স মশা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।

আগে মশা নিধনে জনসচেতনতা তৈরিতে ডিএনসিসির সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) ও জাতীয় স্কাউট দল। মূলত তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মশক নিধন কার্যক্রম ও জনসচেতনতা সৃষ্টির কাজ করেছে। এছাড়া যেসব ভবনে এডিসের লার্ভা পাওয়া যাচ্ছিল তাদের জরিমানাও করছিলেন ডিএনসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরিত্যক্ত পণ্য কেনার একটি প্রকল্পও চলমান ছিল। এখন কোনো কর্মসূচিই নেই।

মশারী ছাড়া দিনের বেলায় ঘরে ও অফিসে বশা মুশকিল। 

নিম্নমানের  ঔষধ সামগ্রী ব্যাবহার ও ধুঁয়া  মানবদেহের জন্য কতটা ক্ষতিকারক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরাই ভালো জানেন। 

এলাকাবাসীর দাবি

​তুরাগ ও উত্তরখান এলাকার বাসিন্দাদের প্রাণের দাবি— অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে মশা নিধন করা হোক। অন্যথায় মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত নজর না দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর