নিজস্ব প্রতিবেদক :খন্দকার রাজিব
রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলের সামনে থেকে অপহৃত হওয়া তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার সন্তানকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সরাসরি হস্তক্ষেপে এবং দ্রুত নির্দেশনায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শিশুটিকে অক্ষত অবস্থায় তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার সূত্রপাত
তথ্য মন্ত্রণালয়ের পিআইডিতে কর্মরত খন্দকার শামীমের ছেলে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে পড়াশোনা করে। আজ দুপুরে স্কুল ছুটির পর একদল দুর্বৃত্ত তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। জানা গেছে, খন্দকার শামীমের পেশাগত রেষারেষির জের ধরে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর পথরোধ ও মানবিকতা
ঘটনার সময় খন্দকার শামীম সচিবালয়ে কর্মরত ছিলেন। সন্তানের নিখোঁজের খবরে দিশেহারা এই পিতা যখন আর কোনো উপায় পাচ্ছিলেন না, ঠিক তখনই অফিস শেষ করে বের হচ্ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। নিরাপত্তার তোয়াক্কা না করে সন্তানহারা এক পিতা প্রধানমন্ত্রীর পথ আটকে দাঁড়ান এবং সাহায্যের আকুতি জানান।
সাধারণ নাগরিকের এমন আচরণে বিন্দুমাত্র বিরক্ত না হয়ে প্রধানমন্ত্রী তার গাড়ি থামান এবং ধৈর্য ধরে খন্দকার শামীমের কথা শোনেন। ঘটনার ভয়াবহতা বুঝতে পেরে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সেখানেই ফোনের মাধ্যমে ডিবি এবং মতিঝিল জোনের ডিসি মাসুদকে অভিযান শুরুর নির্দেশ দেন।
পুলিশের সফল অভিযান
প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি তদারকিতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত সক্রিয় হয়ে ওঠে। রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি চালিয়ে এবং প্রযুক্তির সহায়তায় অল্প সময়ের মধ্যেই অপহরণের শিকার শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। বর্তমানে শিশুটি তার মা-বাবার কাছে নিরাপদ রয়েছে।
নতুন বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি
এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছে। একজন সাধারণ নাগরিক তার বিপদে সরাসরি দেশের সর্বোচ্চ কর্মকর্তার কাছে পৌঁছাতে পারছেন—একে নাগরিকরা ‘নতুন বাংলাদেশ’-এর প্রকৃত স্বরূপ হিসেবে দেখছেন। যেখানে রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে জবাবদিহিতা এবং মানবিকতা অগ্রাধিকার পাচ্ছে।
”এটাই আমাদের কাম্য বাংলাদেশ। যেখানে কোনো সাধারণ নাগরিককে তার বিপদে একা লড়তে হবে না। রাষ্ট্র ও সরকার থাকবে তার পাশেই।”
Leave a Reply