1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কিশোরগঞ্জে পৈত্রিক জমিতে হামলার অভিযোগ, যুবককে কুপিয়ে জখম মোরেলগঞ্জে নারীসহ চার মাদককারবারিকে অর্থদন্ডসহ কারাদণ্ড খুলনায় জলবায়ু অভিবাসন কেন্দ্রের পরিচালন নির্দেশিকা প্রণয়নে যৌথ কর্মশালা অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজির মামলায় জামায়াত নেতা হাজী নজরুল ও সহযোগী কারাগারে, ছবি নিতে সাংবাদিকদের বাঁধা প্রতিবন্ধী নারীদের নেতৃত্ব, অ্যাডভোকেসি ও ফান্ডরেইজিং বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ৪টি বিদ্যালয়ে ফল বিপর্যয়, সবাই ফেল কুড়িগ্রাম সীমান্তে দুই চোরাকারবারীসহ ৭৮ লক্ষ টাকার মালামাল উদ্ধার কুুড়িগ্রা‌মে বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে জেলের মৃত্যু, আহত ৫ দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধির পিতার ইন্তেকাল তারাগঞ্জে ব্যবসায়ীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি রংপুর মেডিকেলে

আয়নাঘরের দেয়ালে ছিল না কোনো আয়না

  • প্রকাশিত সময় : শনিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৯৪ বার পড়েছেন

News Editor : MOMIN

ডিজিএফআইয়ের কুখ্যাত বন্দিশালা আয়নাঘরের দেয়ালে কোনো আয়না ছিল না বলে আসামিপক্ষের আইনজীবীর জেরায় উল্লেখ করেছেন সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিনুর রহমান।

জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে (জেআইসি) বা আয়নাঘরে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা ও সাবেক-বর্তমান ১২ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জবানবন্দি শেষে বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ হাসিনুরকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী।

ডিজিএফআইয়ে সাবেক পরিচালক মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকীর পক্ষে আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু জেরায় হাসিনুরকে প্রশ্ন করেন, আপনাকে গুম করে রাখা আয়নাঘরের দেয়ালে কোনো আয়না ছিল কি না। জবাবে তিনি জানান, কোনো আয়না ছিল না। এটি একটি ছদ্মনাম।

এরপর দুলু প্রশ্ন করেন, বিএ কত এবং কত নম্বর কোর্সের সদস্য ছিলেন। জবাবে হাসিনুর বলেন, আমার বিএ-২৬১১। আমি দশম বিএমএ লং কোর্সে কমিশনপ্রাপ্ত।

পরে আইনজীবী দুলু প্রশ্ন করেন, কোর্ট মার্শাল রায়ের পর আপনার বিএমএ নম্বর বাংলাদেশ আর্মির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সিএমএইচসহ ইত্যাদিতে সাসপেন্ড কি না। জবাবে তিনি বলেন, আমার বিএ নম্বর সংক্রান্ত নথিপত্র সেনাসদরে নেই। শুনেছি ভারতের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। কার কাছে শুনেছি মনে নেই।

আইনজীবী দুলু প্রশ্ন করেন, ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেওয়ার বিষয়ে কোনো নোটিশ পেয়েছেন কি না।

জবাবে তিনি বলেন, আমার বর্তমান ঠিকানায় ২০২২ সালের জুন মাস থেকে বসবাস করছি। তাই মামলায় ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেওয়ার বিষয়ে লিখিত কোনো সমন বা নোটিশ পাইনি। তবে মৌখিকভাবে প্রসিকিউটর উদয় তাসমির সময় ও তারিখসহ সাক্ষ্য দিতে হাজির হতে বলেছেন।

আইনজীবী দুলু প্রশ্ন করেন, আপনি প্রসিকিউশনের শেখানো মতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। জবাবে হাসিনুর বলেন, এই কথা সত্য নয়।

পরে দুলু প্রশ্ন করেন, প্রথম দফায় আপনাকে গুমের পর কোন তারিখে অফিসার্স সেলে আটক রাখা হয়? হাসিনুর বলেন, সেই তারিখ মনে নেই। ওই সময় আমাকে ৪৩ দিন গুম রাখা হয়।

পরে দুলু প্রশ্ন করেন, ২০২০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গুম থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সময়কালে ডিজিএফএ বিল্ডিংয়ে গিয়েছিলেন কি না?

জবাবে তিনি বলেন, এই সময়ে যাইনি। তবে ২৪-এর ৫ আগস্টের পর ডিজিএফআইয়ের ডিজির ভবনে একবার গিয়েছি। আয়নাঘরে একবার গিয়েছি প্রসিকিউটরের সঙ্গে। ৫ আগস্ট ডিজিএফআই এলাকায় গিয়েছি বন্দিদের উদ্ধারের জন্য।

দুলু প্রশ্ন করেন, আপনাকে যে বন্দিশালায় রাখা হয়েছিল তাকে যে আয়নাঘর নামে ডাকত, তা প্রথম তাসনিম খলিলকে আপনি বলেছেন? জবাবে তিনি বলেন, এই কথা সত্য।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর