1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA :
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৪:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পানির স্বাধীনতা লঙ্ঘিত: ভরাটের যন্ত্রণা‌য় দমবন্ধ দক্ষিণাঞ্চলের নদী-খাল ​কাশিয়ানীর রামদিয়া বাজারে মোবাইল কোর্ট: ২ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা সরকারি খালে বালু মজুদের প্রতিবেদন করতে গিয়ে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, আইনি ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি রশুনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির পক্ষ থেকে ১২ শত পরিবারের মাঝে ইফতার ও ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ! মেধাবী আকাশের কিডনি প্রতিস্থাপনেদরকার ৮ লক্ষ টাকা আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান জামায়াত নেতা মাওলানা এস.এম. রিদওয়ানুন্নবী (রেদওয়ান) সিরাজদিখান ও শ্রীনগরের দুই শতাধিক পরিবারের মাঝে এইচ নূর ফাউন্ডেশনের ইফতার সামগ্রী বিতরণ! উত্তরার আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা জোরদারে বিশেষ সমন্বয় সভা কুড়িগ্রামে আলুচাষী ও ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন: হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধি ও কমিশন বন্ধের প্রতিবাদ কুড়িগ্রাম সীমান্তে পতাকা বৈঠকের পর দুই ভারতীয় যুবককে বিএসএফ’র কাছে হস্তান্তর

আয়নাঘরের দেয়ালে ছিল না কোনো আয়না

  • প্রকাশিত সময় : শনিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩৭ বার পড়েছেন

News Editor : MOMIN

ডিজিএফআইয়ের কুখ্যাত বন্দিশালা আয়নাঘরের দেয়ালে কোনো আয়না ছিল না বলে আসামিপক্ষের আইনজীবীর জেরায় উল্লেখ করেছেন সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিনুর রহমান।

জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে (জেআইসি) বা আয়নাঘরে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা ও সাবেক-বর্তমান ১২ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জবানবন্দি শেষে বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ হাসিনুরকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী।

ডিজিএফআইয়ে সাবেক পরিচালক মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকীর পক্ষে আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু জেরায় হাসিনুরকে প্রশ্ন করেন, আপনাকে গুম করে রাখা আয়নাঘরের দেয়ালে কোনো আয়না ছিল কি না। জবাবে তিনি জানান, কোনো আয়না ছিল না। এটি একটি ছদ্মনাম।

এরপর দুলু প্রশ্ন করেন, বিএ কত এবং কত নম্বর কোর্সের সদস্য ছিলেন। জবাবে হাসিনুর বলেন, আমার বিএ-২৬১১। আমি দশম বিএমএ লং কোর্সে কমিশনপ্রাপ্ত।

পরে আইনজীবী দুলু প্রশ্ন করেন, কোর্ট মার্শাল রায়ের পর আপনার বিএমএ নম্বর বাংলাদেশ আর্মির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সিএমএইচসহ ইত্যাদিতে সাসপেন্ড কি না। জবাবে তিনি বলেন, আমার বিএ নম্বর সংক্রান্ত নথিপত্র সেনাসদরে নেই। শুনেছি ভারতের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। কার কাছে শুনেছি মনে নেই।

আইনজীবী দুলু প্রশ্ন করেন, ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেওয়ার বিষয়ে কোনো নোটিশ পেয়েছেন কি না।

জবাবে তিনি বলেন, আমার বর্তমান ঠিকানায় ২০২২ সালের জুন মাস থেকে বসবাস করছি। তাই মামলায় ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেওয়ার বিষয়ে লিখিত কোনো সমন বা নোটিশ পাইনি। তবে মৌখিকভাবে প্রসিকিউটর উদয় তাসমির সময় ও তারিখসহ সাক্ষ্য দিতে হাজির হতে বলেছেন।

আইনজীবী দুলু প্রশ্ন করেন, আপনি প্রসিকিউশনের শেখানো মতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। জবাবে হাসিনুর বলেন, এই কথা সত্য নয়।

পরে দুলু প্রশ্ন করেন, প্রথম দফায় আপনাকে গুমের পর কোন তারিখে অফিসার্স সেলে আটক রাখা হয়? হাসিনুর বলেন, সেই তারিখ মনে নেই। ওই সময় আমাকে ৪৩ দিন গুম রাখা হয়।

পরে দুলু প্রশ্ন করেন, ২০২০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গুম থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সময়কালে ডিজিএফএ বিল্ডিংয়ে গিয়েছিলেন কি না?

জবাবে তিনি বলেন, এই সময়ে যাইনি। তবে ২৪-এর ৫ আগস্টের পর ডিজিএফআইয়ের ডিজির ভবনে একবার গিয়েছি। আয়নাঘরে একবার গিয়েছি প্রসিকিউটরের সঙ্গে। ৫ আগস্ট ডিজিএফআই এলাকায় গিয়েছি বন্দিদের উদ্ধারের জন্য।

দুলু প্রশ্ন করেন, আপনাকে যে বন্দিশালায় রাখা হয়েছিল তাকে যে আয়নাঘর নামে ডাকত, তা প্রথম তাসনিম খলিলকে আপনি বলেছেন? জবাবে তিনি বলেন, এই কথা সত্য।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর