1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দুর্গাপূজার অপেক্ষায় তারাগঞ্জ, চলছে ৬৩ মন্দিরে শেষ মুহূর্তের প্রস্তূতি গোপালগঞ্জে ৩০ বোতল মাদকসহ একজন আটক। ওপেন হার্ট সার্জারি শেষে বাড়ি ফেরা জাকিরের খোঁজখবর নিলেন মো: জাহাঙ্গীর হোসেন, কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ ও পাওনা টাকা উদ্ধারের দাবিতে আলফাডাঙ্গায় সংবাদ সম্মেলন আমাকে জানতে হলে বাংলার মুখ দেখে নিও— প্রকৃতির আয়নায় আত্মপরিচয়, ভালোবাসা ও বাংলাদেশের অনন্ত সৌন্দর্য হামলা-মামলা পেরিয়ে উত্তর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় নুর আলম হালিম বিক্রি থেকে উদ্ভাবক বাবলু বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন ছেড়ে হাওয়াই মিষ্টির মেশিন বানিয়ে বদলানোর স্বপ্ন বাগেরহাটে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের জলবায়ু সংক্রান্ত সক্ষমতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আলফাডাঙ্গায় পূর্ববিরোধের জেরে ভ্যান থেকে নামিয়ে পিটিয়ে জখম ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে থানায় মামলা কুড়িগ্রামে ত্রাণের কাজ যেন প্রাণ নেই

কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ ও পাওনা টাকা উদ্ধারের দাবিতে আলফাডাঙ্গায় সংবাদ সম্মেলন

  • প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৩ বার পড়েছেন

আলমগীর কবির,
​ আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় খামার পরিচালনা, জমি লিজ এবং ঘাস ও ভুট্টা চাষে কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করেও লভ্যাংশ, বেতন ও পাওনা টাকা ফেরত না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন এক ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে আলফাডাঙ্গা উপজেলা প্রেসক্লাব সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন মো. নাসিরুজ্জামান।
​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নাসিরুজ্জামান জানান, ২০১৯ সালে মোহাম্মদীয়া প্রতিষ্ঠানের এমডি মো. ইমামুল হক জনির মাধ্যমে গরুর খামারের মালিক ইউসুফ আল আমিনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরবর্তীতে ইউসুফ আল আমিনের অনুরোধে তিনি খামার পরিচালনার দায়িত্ব নেন। খামারের পরিধি বাড়াতে তিনি মালা এলাকায় ২১ একর ও শুকুরহাটায় ২৫ একরসহ বিভিন্ন স্থানে জমি লিজ নেন। ওইসব জমিতে ঘাস ও ভুট্টা চাষ, জমি পরিষ্কার, বীজ ও সার ক্রয় এবং শ্রমিকদের মজুরি বাবদ তাঁর মোট ১ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে।


​তাঁর আরও অভিযোগ, চুক্তি অনুযায়ী বেতন ও পাওনা বুঝিয়ে না দিয়ে তাঁকে আর্থিক সংকটে ফেলা হয়েছে। উল্টো বকেয়া টাকা চাইতে গেলে তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা মামলা ও আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে এবং তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে বিভিন্ন উপায়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ফলে তাঁরা বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
​ঘাস ও ভুট্টা চাষের সপক্ষে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ ও তাঁর কাছে সমস্ত দাপ্তরিক হিসাব-নিকাশ সংরক্ষিত রয়েছে বলে জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি ব্যয়ের প্রকৃত হিসাব যাচাইপূর্বক বকেয়া বেতন, পাওনা পরিশোধ এবং নিজের ও পরিবারের জন্য আইনি সুরক্ষার জোর দাবি জানান।
​এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউসুফ আল আমিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর