মোঃরফিকুল ইসলাম মিঠু ঢাকা।।
রত্না একজন নারীর নাম। খিলখেত এলাকার নিকুঞ্জে তার বসবাস। তার পরিচয় তুলে ধরতে গেলে কারো কারো কাছে তিনি একজন সমাজসেবিকা,কারো কাছে একজন ব্যবসায়ী, কারো কাছে একজন নারী সাপ্লায়ার। আসলে তার নির্দিষ্ট কোন পেশা নেই। জীবন জীবিকা নির্বাহের তাগিদে তিনি কিছু সহজ সরল উঠতি বয়সি নারীদের জীবন যৌবন নিয়ে নোংরা খেলায় মেতে উঠেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একাধিক ভুক্তভোগীর ভাষ্যমতে তিনি উত্তরা খিলখেত,বনানী, বারিধারা এলাকায় ধনাঢ্য ব্যক্তিদের মনোরঞ্জনে নারী সরবরাহ করে থাকেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন তার কাজ হচ্ছে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারী অফিস আদালতে বিভিন্ন কাজের অজুহাতে অথবা চাকরি প্রত্যাশী হয়ে সুন্দরী উঠতি বয়সী নারীদের নিয়ে বড় বড় কর্তা বাবুদের কক্ষে প্রবেশ করে তাদের নজর কাড়া। যদি কোন কর্তা বাবু লোভে পড়েন তাহলে তার আর শেষ রক্ষা নেই। ছলে বলে কৌশলে ওই মেয়েকে কর্তা বাবুর মনোরঞ্জনের জন্য প্রেরণ করা হয়। বিনিময়ে হাতিয়ে নেন ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা। যদি কোন মেয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে যায় তাহলে তার জীবনে নেমে আসে চরম অশান্তি।

এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে তার সাথে যোগাযোগ রয়েছে অসংখ্য দেহ ব্যবসায়ী নারীর। নির্দিষ্ট একটা কমিশনের বিনিময়ে তিনি নারীদের সরবরাহ করে থাকেন। কিছু কিছু লোককে বলতে শোনা যায় এটাও এক ধরনের সেবা। সেবা গ্রহিতারা তার সাথে যোগাযোগ করার দুই এক ঘন্টার মধ্যেই সেবা পেয়ে থাকেন বলে জানা যায়। এ সকল অভিযোগের বিষয় নিয়ে রত্নার সাথে কথা হলে প্রতিবেদকের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি তাকে ফোন রাখতে বলেন। এই বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে প্রতিবেদক টেলিফোন করেন রত্নার খুব ঘনিষ্ঠ মিম আক্তার কে। খদ্দের সেজে তার সাথে কথা বলে জানা যায় কিভাবে তারা সেবা প্রদান করেন। রত্নার সাথে মিম এর বর্তমানে সম্পর্ক নেই বললেই চলে। ব্যবসায়িক কারণে একে অপরের সাথে দ্বন্দ্ব চরমে। মিমকে যখন বলা হয় যে রত্নাই তার নাম্বার দিয়েছে সে ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন আমার নাম্বার দিল কেন? তার কাছে তো মেয়েদের নাম্বার এর অভাব নেই। আমার থেকেও অনেক সুন্দর সুন্দর মেয়ে তার কালেকশনে আছে। অবশেষে মীমকে রাজি করানো হলেও পার নাইট ২০ হাজার টাকার নিচে যান না বলে জানান। তার কাছে কোন নিরাপদ জায়গা নেই যদি নিরাপদ জায়গা এবং উক্ত শর্তে রাজি হই তাহলে যোগাযোগ করার জন্য বলেন।


Leave a Reply