1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
​মাদকের অন্ধকার ঠেকাতে কাবাডির মাঠে মহম্মদপুরের তারুণ্যের লড়াই কুড়িগ্রামে বিশ্ব নদী দিবস পালিত কুড়িগ্রামে গণশুনানী অনুষ্ঠিত ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে – মাওলানা আন্তাজুল ইসলাম সাংবাদিক নেতা আবু জাফর সূর্য গ্রেফতার চিলমারীতে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামের রৌমারীতে স্কুল ঘেঁষে ইট ভাটা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা চুরির প্রতিবাদ করায় ঘেরে বিষ ঢেলে ৪ লাখ টাকার মাছ নিধন: আলফাডাঙ্গায় প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে অভিযোগ বগুড়ার নন্দীগ্রামে ‘ক্লিন ইমেজ’ ও শহীদ জিয়ার আদর্শের বিশ্বস্ত সৈনিক মতিউর রহমান মুসা শার্শায় ভিক্ষুক পুনর্বাসনে দুই প্রতিবন্ধীকে ভ্যান প্রদান: ‘আর ভিক্ষা নয়, এবার খেটে খাব’

কে এই রত্না কি তার ব্যবসা?

  • প্রকাশিত সময় : শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬
  • ৫৪০ বার পড়েছেন

মোঃরফিকুল ইসলাম মিঠু ঢাকা।।

রত্না একজন নারীর নাম। খিলখেত এলাকার নিকুঞ্জে তার বসবাস। তার পরিচয় তুলে ধরতে গেলে কারো কারো কাছে তিনি একজন সমাজসেবিকা,কারো কাছে একজন ব্যবসায়ী, কারো কাছে একজন নারী সাপ্লায়ার। আসলে তার নির্দিষ্ট কোন পেশা নেই। জীবন জীবিকা নির্বাহের তাগিদে তিনি কিছু সহজ সরল উঠতি বয়সি নারীদের জীবন যৌবন নিয়ে নোংরা খেলায় মেতে উঠেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একাধিক ভুক্তভোগীর ভাষ্যমতে তিনি উত্তরা খিলখেত,বনানী, বারিধারা এলাকায় ধনাঢ্য ব্যক্তিদের মনোরঞ্জনে নারী সরবরাহ করে থাকেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন তার কাজ হচ্ছে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারী অফিস আদালতে বিভিন্ন কাজের অজুহাতে অথবা চাকরি প্রত্যাশী হয়ে সুন্দরী উঠতি বয়সী নারীদের নিয়ে বড় বড় কর্তা বাবুদের কক্ষে প্রবেশ করে তাদের নজর কাড়া। যদি কোন কর্তা বাবু লোভে পড়েন তাহলে তার আর শেষ রক্ষা নেই। ছলে বলে কৌশলে ওই মেয়েকে কর্তা বাবুর মনোরঞ্জনের জন্য প্রেরণ করা হয়। বিনিময়ে হাতিয়ে নেন ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা। যদি কোন মেয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে যায় তাহলে তার জীবনে নেমে আসে চরম অশান্তি।

এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে তার সাথে যোগাযোগ রয়েছে অসংখ্য দেহ ব্যবসায়ী নারীর। নির্দিষ্ট একটা কমিশনের বিনিময়ে তিনি নারীদের সরবরাহ করে থাকেন। কিছু কিছু লোককে বলতে শোনা যায় এটাও এক ধরনের সেবা। সেবা গ্রহিতারা তার সাথে যোগাযোগ করার দুই এক ঘন্টার মধ্যেই সেবা পেয়ে থাকেন বলে জানা যায়। এ সকল অভিযোগের বিষয় নিয়ে রত্নার সাথে কথা হলে প্রতিবেদকের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি তাকে ফোন রাখতে বলেন। এই বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে প্রতিবেদক টেলিফোন করেন রত্নার খুব ঘনিষ্ঠ মিম আক্তার কে। খদ্দের সেজে তার সাথে কথা বলে জানা যায় কিভাবে তারা সেবা প্রদান করেন। রত্নার সাথে মিম এর বর্তমানে সম্পর্ক নেই বললেই চলে। ব্যবসায়িক কারণে একে অপরের সাথে দ্বন্দ্ব চরমে। মিমকে যখন বলা হয় যে রত্নাই তার নাম্বার দিয়েছে সে ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন আমার নাম্বার দিল কেন? তার কাছে তো মেয়েদের নাম্বার এর অভাব নেই। আমার থেকেও অনেক সুন্দর সুন্দর মেয়ে তার কালেকশনে আছে। অবশেষে মীমকে রাজি করানো হলেও পার নাইট ২০ হাজার টাকার নিচে যান না বলে জানান। তার কাছে কোন নিরাপদ জায়গা নেই যদি নিরাপদ জায়গা এবং উক্ত শর্তে রাজি হই তাহলে যোগাযোগ করার জন্য বলেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর