1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কাশিয়ানীতে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩০ মোরেলগঞ্জে কৃষি কাজ করা অবস্থায় বজ্রপাতে দুই ভাই নিহত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ, পিপলাকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে অস্থিরতা: অব্যাহতির দাবিতে শিক্ষকদের আবেদন আলফাডাঙ্গায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মাছের পোনা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত কুড়িগ্রামে ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে শিক্ষক মোতালেব গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে আলফাডাঙ্গায় ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন কুড়িগ্রামে তিস্তার ভাঙনে ৪০মিটার ক্রসবাঁধ বিলিন বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি স্বামী দু’বছর ধরে শিকলবন্দী; সন্তানদের দিন কাটে অনাহারে প্যারাভাংগা কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বাস্থ্যসেবা ‘খালা’র ভরসায়, কর্মীদের অনুপস্থিতিতে ভোগান্তিতে এলাকাবাসী!!

প্যারাভাংগা কমিউনিটি ক্লিনিকে স্বাস্থ্যসেবা ‘খালা’র ভরসায়, কর্মীদের অনুপস্থিতিতে ভোগান্তিতে এলাকাবাসী!!

  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৬ বার পড়েছেন

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার প্যারাভাংগা কমিউনিটি ক্লিনিকে নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) মিনা আক্তার দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে নিয়মিত উপস্থিত থাকেন না। প্রায় ৯ বছর ধরে একই কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করলেও তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি এলাকাবাসীর।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়ায় দায়িত্বে অবহেলার সুযোগ তৈরি হয়েছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীর অনিয়মিত উপস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।


এলাকাবাসী জানান, স্বাস্থ্য সহকারী আল মামুনের সপ্তাহে তিন দিন প্যারাভাংগা কমিউনিটি ক্লিনিকে দায়িত্ব পালনের কথা থাকলেও তাঁকেও নিয়মিত পাওয়া যায় না। অনেক সময় প্রয়োজনের মুহূর্তে চিকিৎসাসেবা নিতে এসে রোগীদের ফিরে যেতে হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের কার্যক্রম সচল রাখতে মাসিক এক হাজার টাকা পারিশ্রমিকে প্রতিবেশী রিনা ‘খালা’কে দিয়ে ক্লিনিকের দরজা খোলানো ও সাধারণ কিছু কাজ করানো হচ্ছে। অথচ সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের অনুপস্থিতিতে একজন বেসরকারি ব্যক্তি দিয়ে ক্লিনিক পরিচালনার বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তারা বলছেন, রিনা ‘খালা’ না থাকলে অনেক সময় ক্লিনিকটি তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকত।
সরেজমিনে প্যারাভাংগা কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের বিভিন্ন স্থানে পলেস্তারা খসে পড়েছে এবং অবকাঠামোর অবস্থাও নাজুক। দেয়ালে ওষুধের তালিকা টাঙানো থাকলেও বাস্তবে কী পরিমাণ ওষুধ মজুদ রয়েছে, তার স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। পরিদর্শনের সময় নিয়মিত রোগী সেবার স্বাভাবিক কার্যক্রমও চোখে পড়েনি।


স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, সরকার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করলেও দায়িত্বপ্রাপ্তদের গাফিলতি ও অনুপস্থিতির কারণে সেই উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে। তারা দ্রুত তদন্ত করে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. নাজমুল করিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর