সুমন কুমার নিতাই, বগুড়া প্রতিনিধি:
বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক মূলধারাকে বেগবান করতে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বেছে নিতে চান রাজপথের পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা মোঃ মতিউর রহমান মুসাকে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে হামলা, মামলা, ভাঙচুর ও নানামুখী নির্যাতন সহ্য করেও যিনি শহীদ জিয়ার আদর্শ এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় অটল থেকেছেন, সেই ‘ক্লিন ইমেজ’-এর নেতার মূল্যায়নের দাবি এখন নন্দীগ্রামের ঘরে ঘরে।
২০০৪ সালে শেরপুর ডিজে হাই স্কুলে অধ্যয়নকালেই জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পতাকাতলে যুক্ত হন মতিউর রহমান মুসা। ২০০৫ সালে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও দল ত্যাগ না করে দলের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য বজায় রাখেন। ২০০৬ সালের ২৮শে অক্টোবরের ‘লগি-বৈঠা আন্দোলন’-এর সহিংস পরিস্থিতিতে রাজপথে সরাসরি হামলার শিকার হন। ২০০৭ সালের ১/১১-এর জরুরি অবস্থার কঠিন সময়ে নন্দীগ্রামে এসে রাজনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রাখেন তিনি।
২০০৮ সালে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মাঝে রাজনৈতিক সংগ্রাম অব্যাহত রাখেন। পরবর্তীতে ২০১২ সালে দেশের সংকটময় মুহূর্তে ১নং বুড়ইল ইউনিয়ন ছাত্রদলের সফল আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। নন্দীগ্রাম-কাহালু আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোশারফ হোসেনের হাতকে শক্তিশালী করতে এবং কেন্দ্র ঘোষিত প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে কর্মীদের সুসংগঠিত করে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন মুসা।
রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিতে গিয়ে একাধিকবার আর্থিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এই নেতা। ২০০৬ সালের সহিংসতার পর পুনরায় ২০২২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর রাজপথের কর্মসূচিতে তার একটি এবং সাথে থাকা কর্মীদের একটি মোটরবাইক ভাঙচুর করা হয়। তবুও কোনো প্রলোভন কিংবা ক্ষয়ক্ষতি তাকে আদর্শচ্যুত করতে পারেনি। ২০১৬-১৭ সালে নন্দীগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলকে সুসংগঠিত করতে অনন্য ভূমিকা রাখেন এবং ২০২১ সালে সর্বসম্মতিক্রমে নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটিতে ১নং যুগ্ম-আহ্বায়ক হিসেবে নির্বাচিত হন।
কোনো লোভ-লালসা বা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে না জড়িয়ে দীর্ঘদিন নিঃস্বার্থভাবে দলের জন্য কাজ করা মতিউর রহমান মুসাকে নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের শীর্ষ পদে দেখতে চান সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা। দলের ত্যাগী ও নিষ্কলঙ্ক নেতাদের মূল্যায়নের মাধ্যমে নন্দীগ্রাম উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল আগামী দিনে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হবে—এমনটাই প্রত্যাশা তৃণমূলের।

Leave a Reply