মোঃ জোনায়েদ হোসেন জুয়েল,
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। এরই মধ্যে মেয়র পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন পাকুন্দিয়া উপজেলা থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আব্দুল সাত্তার। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পথচলা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের কারণে স্থানীয়দের মধ্যে তাকে নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে।
রাজনীতির মাঠে পরিচিত মুখ মোঃ আব্দুল সাত্তার দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। বর্তমানে তিনি পাকুন্দিয়া উপজেলা থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দলীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এলাকার সামাজিক উন্নয়ন, জনসম্পৃক্ততা এবং মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রেখে আসছেন বলে স্থানীয়রা জানান।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, এলাকার সমস্যা নিয়ে কথা বলা এবং নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়ে তার আগ্রহ তাকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে। তার সহজ-সরল আচরণ ও মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের কারণে পৌর এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মাঝে গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে।

মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা প্রসঙ্গে মোঃ আব্দুল সাত্তার বলেন,
“পাকুন্দিয়া পৌরবাসীর ভালোবাসা, সমর্থন ও সহযোগিতা পেলে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও জনবান্ধব পৌরসভা গড়ে তুলতে কাজ করতে চাই। পৌরবাসীর নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা, রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন, পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা উন্নত করা এবং সাধারণ মানুষের সেবা সহজ করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, “রাজনীতি আমার কাছে মানুষের কল্যাণের একটি মাধ্যম। দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও দল-মত নির্বিশেষে সকল মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।”
পাকুন্দিয়া পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগামী পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে এরই মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। সেই আলোচনায় মোঃ আব্দুল সাত্তারের নামও উঠে এসেছে গুরুত্বের সঙ্গে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও জনসম্পৃক্ততা একজন প্রার্থীর বড় শক্তি। এসব বিষয় বিবেচনায় আগামী নির্বাচনে তিনি একজন আলোচিত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসতে পারেন বলে মনে করছেন অনেকে।

পাকুন্দিয়া পৌরসভাকে আরও উন্নত, আধুনিক ও নাগরিকবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা নিয়ে সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠে সক্রিয় হচ্ছেন। আগামী দিনে নির্বাচনী মাঠে প্রার্থীদের কর্মকাণ্ড ও জনসম্পৃক্ততাই ভোটারদের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
Leave a Reply