1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মাগুরায় ফ্রি চক্ষু সেবা পেল দুই শতাধিক মানুষ। ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে কিশোরগঞ্জে ড্যাবের আলোচনা সভাএডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আলফাডাঙ্গায় তিন মাসব্যাপী জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন অবৈধ বিদেশিদের কারণে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বাড়ছে অপরাধ কুড়িগ্রামে ফেরী শূন্য চিলমারী নৌবন্দর কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা দিবস পালিত মোরেলগঞ্জে ‘দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’ উদ্বোধন মাগুরায় দুর্বৃত্তরা কাটল মধুমতীর বাঁধ, ডুবল ১০ বিঘা জমির পাকা ধান।।। আলফাডাঙ্গায় পাইকারি ফলের ব্যবসায়ীর টাকা আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মাগুরায় এসএসসি পরীক্ষার ফল পুনর্নির্ধারণের (পুনর্নিরীক্ষণ) পরও ইংরেজি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় অভিমানে ফামিদা খাতুন (১৬) নামে এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে।

কুড়িগ্রামে ফেরী শূন্য চিলমারী নৌবন্দর

  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৭ বার পড়েছেন

হুমায়ুন কবির সূর্য, কু‌ড়িগ্রাম: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং

কুড়িগ্রামে ফেরী শূন্য চিলমারী নৌবন্দর। নাব্যতা সংকট ও মেরামতের অজুহাত দেখিয়ে গত তিন মাসে পর্যায়ক্রমে বেগম সুফিয়া কামাল, কুঞ্জলতা ও কদম ফেরী তিনটি চিলমারী থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। বর্তমানে ড্রেজিংয়ের পর ব্রহ্মপুত্র নদে নাব্যতা সংকট কেটে গেলেও দেখা মিলছে না একটা ফেরীরও।

ফলে উত্তরাঞ্চলের পণ্যবাহী যানবাহনের চালক, ব্যবসায়ী ও যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পরেছেন।

জানা গেছে, গত ১৪ আগস্ট ব্রহ্মপুত্র নদের নাব্যতা সংকটের দেখিয়ে ঐ রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এরমধ্যে চলতি বছরের ১৪ জুলাই কুঞ্জলতা ও ২ সেপ্টেম্বর কদম ফেরীটি মেরামতে কথা বলে নারায়ণগঞ্জের ডকইয়ার্ডে পাঠানো হয়। এর আগে বেগম সুফিয়া কামাল ফেরীটি ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। বর্তমানে ফেরী শূন্য হয়ে পরেছে চিলমারী রৌমারী নৌ রুটটি।

এদিকে নৌপথে নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) গত ২৫ জুলাই থেকে ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু করে। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান সিইজিআইএসের কারিগরি তত্ত্বাবধানে চিলমারী নৌ বন্দর ঘাট, রৌমারী ঘাট, খেরুয়ারচর হতে দুই বিঘা চর পর্যন্ত নদীপথ সাকশন ড্রেজার দিয়ে খনন করে চলাচলের উপযোগী করে তোলে।

গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) খনন কাজ শেষ করা হলেও ফেরী না থাকার কারণে কার্যত অচল হয়ে পরেছে ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বিচ্ছিন্ন রৌমারী ও চর রা‌জিবপুর উপ‌জেলার প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মানুষ। এরই সাথে ফেরি বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পরেছেন পণ্যবাহী যানবাহনের চালক, ব্যবসায়ী ও যাত্রীরা।

বিআইডব্লিউটিএ জানায়, বর্তমানে ফেরি চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় পানির গভীরতা রয়েছে। পলি জমে যাতে আবারও নাব্যতা সংকট তৈরি না হয়, সে জন্য সংরক্ষণমূলক ড্রেজিং কাজও চলমান রয়েছে।

ভুরুঙ্গামারীর সোনাহাট এলাকার ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন বলেন, ফেরি বন্ধ হওয়ায় ঢাকায় পণ্য নিতে পারছি না। এখন অনেক পথ ঘুরে যেতে হবে। এতে সময় ও অর্থ বেশি লাগবে।

চিলমারী নৌ বন্দর এলাকার যাত্রী আকবর আলী ও রোকন মিয়া জানান, নাব্যতার অজুহাত দেখিয়ে বেশিরভাগ সময় ফেরি বন্ধ থাকে। এতে আমরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত ফেরী চলাচলের ব্যবস্থা করা।

বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) সমীর চন্দ্র পাল বলেন, চিলমারী – রৌমারী নৌ রুটে ফেরি সার্ভিস চালুর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিলমারী নদীবন্দরের সহ-ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) ও এরিয়া ইনচার্জের কাছে পাঠানো হয়েছে। সেই সাথে অনুলিপি কুড়িগ্রাম ৪ আসনের সংসদ সদস্যসহ বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে ড্রেজিংয়ের পরপরই চ্যানেলটি সচল রাখা এবং নিয়মিত ফেরি চলাচল নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তা না হলে অল্প সময়ের মধ্যেই আবার পলি জমে নাব্যতা সংকট তৈরি হতে পারে।

এদিকে পাটুরিয়া , আরিচা, লক্ষীপুর,বরিশাল অঞ্চল মিলে রোষ্টার আউট নামে প্রতিদিন প্রায় ১২ থেকে ১৫ টি ফেরি পারাপারের গাড়ি না থাকায় অলসভাবে বসিয়ে রাখা হয়েছে এবং ফেরি কুঞ্জলতা ডকিং মেরামত শেষ করে চিলমারী নৌ বন্দর প্রেরণ না করে ভোলা লক্ষীপুর অঞ্চলে প্রেরণ করা হয়েছে বলে একটি গোপন সুত্রে জানিয়েচে।

বিআইডব্লিউটিসি একটি সরকারি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান তাই জনস্বার্থে পরিচালিত এই সার্ভিসটি দীর্ঘদিন রকেট, ষ্টিমার, সি টাগসহ বিভিন্ন সেবা লোকসানে পরিচালনা করে আসছে। শুধুমাত্র চিলমারী – রৌমারী নৌরুটের জন্য লোকসানের অজুহাত দেখানোটা কোনভাবে কাম্য হতে পারে না।

উল্লেখ্য, চিলমারী-রৌমারী ব্রহ্মপুত্র নদের নৌ রুটে বিআইডব্লিউটিএয়ের উদ্যোগে এ নৌপথে আনুষ্ঠানিকভাবে ফেরি চলাচল শুরু হয় ২০২৩ সালে ২০ সেপ্টেম্বর। উদ্বোধনের পর দেড় মাসের অধিক সময় নিয়মিত দুটি ফেরিতে পণ্যবাহীসহ বিভিন্ন ধরণের পরিবহন পারাপার করে আসছে। প্রতি ট্রিপে ফেরি কুঞ্জলতা ৮ থেকে ৯টি, বেগম সুফিয়া কামাল ১২ থেকে ১৩টি ও কদম ৮ থেকে ৯টি পণ্যবাহী গাড়ি পারাপার করতো। এরমধ্যে বেগম সুফিয়া কামাল, কুঞ্জলতা ও কদম ফেরি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদে চ্যানেল ড্রেজিংয়ে অবহেলার কারণে ফেরি বন্ধ রযেছে।

এতে করে ভোগান্তিতে পরেছেন পণ্যবাহী পরিবহণের চালক ও শ্রমিকরা। ২০২৩ সালে ২০ সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের ২৯ আগস্ট থেকে চিলমারী-রৌমারী নৌ রুটে মোট ১ হাজার ৬৫ দিনের মধ্যে ন্যাবতার কারণ দেখিয়ে ফেরি চলাচল বন্ধ ছিলো ৫৪১ দিন।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসির চিলমারী নদীবন্দরের ম্যানেজার (বাণিজ্য) আতিক সোহেল আকাশ জানান, খনন বিভাগের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মেরিন অফিসার ও পাইলট বিভাগ পানির গভীরতা পর্যবেক্ষণ করে প্রতিবেদন পাঠিয়েছি। সেই সাথে ফেরি আসার জন্যও চিঠি দেয়া হয়েছে।#

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর