1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সংবাদ সম্মেলন করে কাশিয়ানীর রাতইল ইউনিয়নে ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ থেকে ৩ নেতার পদত্যাগ। সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বিশ্ব বাঘ দিবস পালিত কুড়িগ্রামে সাঁড়াশি অভিযানে ১৭৪টি ‘চায়না দুয়ারি’ ও ৫২টি কারেন্ট জাল ভস্মীভূত প্রভাতের ফুলবনে: সুবাসে লেখা জীবনের নীরব দর্শন ভুল তথ্যের জেরে গোপালগঞ্জে নবম শ্রেণির ছাত্রের ওপর বর্বরোচিত হামলা, ফরিদপুর মেডিকেলে চিকিৎসাধীন আলফাডাঙ্গায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি: পরীক্ষা অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে—ইউএনও রিফাত নূর মৌসুমী মোরেলগঞ্জে দুই ফার্মেসীকে অর্থদন্ড যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৫৩ বোতল বিদেশি মদ জব্দ ​স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন: মোরেলগঞ্জের ইউএইচএফপিও বরখাস্ত আলফাডাঙ্গায় মধুমতীতে প্রশাসনের ঝটিকা অভিযান: ৭০ হাজার টাকার ক্ষতিকর চায়না দুয়ারী জাল জব্দ ও ধ্বংস

কুড়িগ্রামে সাঁড়াশি অভিযানে ১৭৪টি ‘চায়না দুয়ারি’ ও ৫২টি কারেন্ট জাল ভস্মীভূত

  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
  • ১৫ বার পড়েছেন


হুমায়ুন কবির সূর্য, কুড়িগ্রাম -২৯.০৭.২৬

​দেশীয় প্রজাতির মাছ ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কুড়িগ্রাম জেলাজুড়ে অবৈধ কারেন্ট জাল এবং ক্ষতিকারক ‘চায়না দুয়ারি’ জালের বিরুদ্ধে এক সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে জেলার ৯টি উপজেলায় একযোগে মোবাইল কোর্ট (ভ্রাম্যমাণ আদালত) পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল জব্দ ও বিনষ্ট করা হয়।


​জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নদ-নদী ও জলাশয়ে অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধে এবং বেচাকেনা, সংরক্ষণ ও মজুদ প্রতিরোধে এই অভিযান চালানো হয়। দিনভর পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে সমগ্র জেলা থেকে প্রায় ১৭৪টি রিং জাল (চায়না দুয়ারি) এবং ৫২ পিস অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে জব্দকৃত এসব ক্ষতিকারক জাল সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে পুরোপুরি ভস্মীভূত করা হয়।
​এছাড়া মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অমান্য করে অবৈধ কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরার অপরাধে জড়িত একাধিক ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক অর্থদণ্ড বা জরিমানা আরোপ করা হয়।
​মৎস্য সম্পদ রক্ষায় জেলা প্রশাসনের এই দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন-“কারেন্ট জাল এবং চায়না দুয়ারির মতো ধ্বংসাত্মক জাল আমাদের নদ-নদীর দেশীয় মাছের রেণু ও প্রজননক্ষম মাছ একবারে নিধন করে ফেলছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষা করা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। আজ সব উপজেলায় একযোগে এই বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, অবৈধ জালের ব্যবহার বা ব্যবসার ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অভিযান নিয়মিত ও অব্যাহত থাকবে।”
​উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালত টিম স্থানীয় থানা পুলিশের সহযোগিতায় নিজ নিজ উপজেলায় এসব অভিযান পরিচালনা করে। জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যৎ প্রজনন নিশ্চিত ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে অবৈধ জালের ব্যবহার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে না আনা পর্যন্ত এ ধরনের তদারকি চালু থাকবে।#

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর