1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মামলার টার্গেটে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ট্রাফিক সার্জেন্টরা: মূল্যায়নের পদ্ধতি বদলানোর দাবি জিরো টলারেন্সের পরও মাদক কেন নিয়ন্ত্রণের বাইরে?মাদকবিরোধী যুদ্ধের সাফল্য, ব্যর্থতা ও আমাদের দায় আলফাডাঙ্গায় HDFB Foundation-এর উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে ১ হাজার ২০০ গাছের চারা বিতরণ কাশিয়ানীতে নসিমন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা, নিহত ১ তারাগঞ্জে রংপুর- সৈয়দপুর মহাসড়কে অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় মহিলার মৃত্যু প্রযুক্তির সহায়তায় মহিলার পরিচয় সনাক্ত উত্তরায় নিহত ৩ সাংবাদিকের জন্য দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে উত্তরা মেট্রোপলিটন প্রেসক্লাব মাগুরায় ফ্রি চক্ষু সেবা পেল দুই শতাধিক মানুষ। ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে কিশোরগঞ্জে ড্যাবের আলোচনা সভাএডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আলফাডাঙ্গায় তিন মাসব্যাপী জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন অবৈধ বিদেশিদের কারণে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বাড়ছে অপরাধ

মামলার টার্গেটে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ট্রাফিক সার্জেন্টরা: মূল্যায়নের পদ্ধতি বদলানোর দাবি

  • প্রকাশিত সময় : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৮৫৭ বার পড়েছেন

মোঃরফিকুল ইসলাম মিঠু।।

নির্দিষ্ট সংখ্যক মামলা দেওয়ার অদৃশ্য চাপ, টানা ৭-৮ ঘণ্টা ধুলা ও শব্দদূষণের মধ্যে দাঁড়িয়ে দায়িত্ব পালন এবং সাধারণ চালকদের সঙ্গে নিত্যদিনের বাগবিতণ্ডা—সব মিলিয়ে মারাত্মক মানসিক চাপে দিন কাটাচ্ছেন ট্রাফিক সার্জেন্টরা। সংশ্লিষ্টদের মতে, কাজের মূল্যায়নে “মামলার সংখ্যা” প্রধান মাপকাঠি হওয়ায় মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র মানসিক অবসাদ বা ‘বার্নআউট’ ও দুশ্চিন্তা বাড়ছে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে সড়ক ব্যবস্থাপনাতেও।

​পুলিশের মাঠপর্যায়ের একাধিক সার্জেন্টের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া তাদের স্বাভাবিক কাজের অংশ হলেও প্রতিদিনের টার্গেট পূরণ করা তাদের জন্য এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনো দিন সড়কে আইন ভঙ্গকারীর সংখ্যা কম থাকলেও টার্গেট পূরণের দুশ্চিন্তা এবং পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জবাবদিহির মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কায় তটস্থ থাকতে হয় তাদের। দীর্ঘদিন এই পরিস্থিতিতে কাজ করার ফলে অনেক কর্মকর্তা ঘুমহীনতা, মানসিক ক্লান্তি এবং খিটখিটে মেজাজে ভুগছেন।

​বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যখন কোনো সেবামূলক বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থায় কাজের গুণগত মানের চেয়ে “সংখ্যাগত টার্গেট” মুখ্য হয়ে ওঠে, তখন সেখানে নৈতিক দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। কর্মকর্তা তখন আইন প্রয়োগের বাস্তব প্রয়োজনের চেয়ে টার্গেট পূরণে বেশি মনোযোগী হতে বাধ্য হন। এতে একদিকে যেমন ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে সাধারণ জনগণের সম্পর্কের অবনতি ঘটছে, অন্যদিকে কর্মীদের কর্মসন্তুষ্টিও তলানিতে ঠেকছে।

​এ বিষয়ে সমাজ ও মানসিক স্বাস্থ্য বিশ্লেষকদের মতে, শুধু মামলার সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে ট্রাফিক কর্মকর্তাদের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করা উচিত নয়। এর পরিবর্তে সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস, যানজট নিয়ন্ত্রণ, ট্রাফিক আইন বাস্তবায়নের মান এবং জনসাধারণের সঙ্গে পেশাদার আচরণের ভিত্তিতে পারফরম্যান্স সূচক (KPI) নির্ধারণের দাবি উঠেছে।

​বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ:

​প্রযুক্তির ব্যবহার: ম্যানুয়ালি মামলা দেওয়ার চাপ কমাতে অটোমেটেড ক্যামেরা ও ই-প্রসিকিউশন ব্যবস্থা জোরদার করা।

​মানসিক স্বাস্থ্য সেবা: সার্জেন্টদের মানসিক চাপ কমাতে নিয়মিত কাউন্সেলিং ও স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট কর্মশালার আয়োজন।

​ডিউটির সময়সীমা ও বিশ্রাম: শব্দ ও বায়ুদূষণ বিবেচনা করে শিফটভিত্তিক কাজের মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করা।

​নিরাপদ সড়ক ও কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বজায় রাখতে আইন প্রয়োগকারীদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা জরুরি। একটি ভারসাম্যপূর্ণ মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করা না গেলে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে এই মানসিক বিপর্যয় দীর্ঘমেয়াদে পুরো সড়ক নিরাপত্তাকেই ঝুঁকিতে ফেলবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর