1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
এক দশক ধরে অধরা ব্রিজসীমাহীন দুর্ভোগে এলাকাবাসী আইএফআইসি ব্যাংক পি.এল.সি এর ৫০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে তারাগঞ্জ উপশাখায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। দুর্গোৎসবের নিরাপত্তায় কিশোরগঞ্জে প্রশাসনের কঠোর নজরদারিশান্তি-সম্প্রীতি ও নির্বিঘ্ন দুর্গোৎসব নিশ্চিত করতে রাতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, কমিটিকে কঠোর নির্দেশনা শ্যামনগরের ভূরুলিয়ায় গ্রাম আদালত বিষয়ে মতবিনিময় সভা অল্প সময়ে স্বল্প খরচে ন্যায়বিচার নিশ্চিতে গ্রাম আদালতে যাওয়ার আহ্বান কুড়িগ্রামে এসআরবি-১৩ এর অভিযানে একটি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, ১০০ পিস ইয়াবা এবং ০৪ বোতল এস্কাফ উদ্ধার রানো বিজ্ঞপ্তি,​গোপালগঞ্জের পারকুশলী সিংগারকুল থেকে কিশোর তাহিম নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার দুর্গাপূজার অপেক্ষায় তারাগঞ্জ, চলছে ৬৩ মন্দিরে শেষ মুহূর্তের প্রস্তূতি গোপালগঞ্জে ৩০ বোতল মাদকসহ একজন আটক। ওপেন হার্ট সার্জারি শেষে বাড়ি ফেরা জাকিরের খোঁজখবর নিলেন মো: জাহাঙ্গীর হোসেন, কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ ও পাওনা টাকা উদ্ধারের দাবিতে আলফাডাঙ্গায় সংবাদ সম্মেলন

দুর্গোৎসবের নিরাপত্তায় কিশোরগঞ্জে প্রশাসনের কঠোর নজরদারিশান্তি-সম্প্রীতি ও নির্বিঘ্ন দুর্গোৎসব নিশ্চিত করতে রাতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, কমিটিকে কঠোর নির্দেশনা

  • প্রকাশিত সময় : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩৬ বার পড়েছেন

মোঃ জোনায়েদ হোসেন জুয়েল,
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:

শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ ঘিরে কিশোরগঞ্জে নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাঠে নেমেছে জেলা প্রশাসন। উৎসবের ব্যস্ততম সময়ে রাত ৮টার দিকে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ সরেজমিনে পরিদর্শন করে নিরাপত্তা ও প্রস্তুতির সার্বিক চিত্র পর্যবেক্ষণ করেছেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিন।
রাতের এই আকস্মিক ও সরেজমিন পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেন। তিনি মণ্ডপের নিরাপত্তাব্যবস্থা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, আলোকসজ্জা, বিদ্যুৎ সংযোগ, অগ্নিনিরাপত্তা, দর্শনার্থীদের চলাচল এবং পূজা উদযাপনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।


এ সময় পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করে দুর্গোৎসবকে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর রাখতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন জেলা প্রশাসক।
জেলা প্রশাসক বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব শুধু একটি ধর্মীয় আয়োজন নয়, এটি দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার অন্যতম প্রতীক। তাই উৎসবকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা, বিশৃঙ্খলা বা নিরাপত্তার ঘাটতি যাতে তৈরি না হয়, সেদিকে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অগ্নিনিরাপত্তা, বিদ্যুৎ ও আলোকসজ্জা, ভক্ত-দর্শনার্থীদের নির্বিঘ্ন চলাচল এবং সার্বিক শৃঙ্খলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে পূজা উদযাপন কমিটিকে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় রেখে দায়িত্ব পালনের পরামর্শ দেন।
বিশেষ করে সন্ধ্যার পর মণ্ডপগুলোতে যখন ভক্ত ও দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ে, তখন সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও সতর্কতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
পরিদর্শনকালে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ মণ্ডপের সার্বিক প্রস্তুতি ও প্রয়োজনীয়তার কথা জেলা প্রশাসককে অবহিত করেন। তাদের বক্তব্য শুনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপ-সচিব) ও পৌর প্রশাসক জেবুন নাহার শাম্মী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ইসতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সদর) মোঃ কামরুল হাসান মারুফ, পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
এ সময় পূজা উদযাপন ফ্রন্ট, কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব জীবন চন্দ্র দাস উপস্থিত ছিলেন।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। প্রতিটি পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং ভক্ত-দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক ও দায়িত্বশীল থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


জেলা প্রশাসকের রাতের এই সরেজমিন পরিদর্শনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ। তাদের প্রত্যাশা, প্রশাসন, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগে কিশোরগঞ্জে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তি, সম্প্রীতি ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হবে।
রাতের আঁধারে জেলা প্রশাসনের মাঠপর্যায়ের এই তৎপরতা কার্যত একটি স্পষ্ট বার্তাই দিচ্ছে—দুর্গোৎসব ঘিরে নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো ধরনের শিথিলতা নয়। পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা ও নিরাপত্তাবোধ বাড়াতেও প্রশাসনের এই সরাসরি নজরদারি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর