মোহাম্মদ জোনায়েদ হোসেন জুয়েল
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রফিকুল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে মাদক, চুরি, ছিনতাই, জুয়া ও অন্যান্য অপরাধ দমনে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে আসছেন। গত ৪ এপ্রিল দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, মাদক বিক্রির নগদ অর্থ ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার এবং একাধিক অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
থানা সূত্রে জানা যায়, সীমিত জনবল নিয়েও পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কাজ করছে। স্থানীয় অনেক বাসিন্দার দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের তৎপরতা আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে।
এদিকে, মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার হওয়ার পর একটি পক্ষ ওসি রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্রের দাবি, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সংশ্লিষ্টদের মতে, অপরাধ ও মাদক কারবারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ায় কিছু স্বার্থান্বেষী মহল অসন্তুষ্ট হতে পারে। তবে কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা উচিত। যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।
এ বিষয়ে ওসি মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, “মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধমুক্ত কটিয়াদী গড়তে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে। আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে অপরাধ দমনে সাধারণ মানুষের সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
স্থানীয় সচেতন মহলের প্রত্যাশা, মাদকবিরোধী অভিযান কোনো ধরনের চাপ, অপপ্রচার বা স্বার্থান্বেষী মহলের প্রভাবে বাধাগ্রস্ত হবে না। পাশাপাশি, কারও বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ থাকলে সেটিও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাঁদের মতে, জনস্বার্থে আইনসম্মত ও নিরপেক্ষ মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকা প্রয়োজন।
Leave a Reply