1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পোনা এম.এ খালেক মহাবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম এম.এ খালেকের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত আলফাডাঙ্গায় ১০ পিস ইয়াবাসহ মাদকবিক্রেতা গ্রেফতার, আদালতে সোপর্দ কিশোরগঞ্জে দুই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ নীলফামারীতে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু মোহাম্মদপুরে কৃষি প্রনোদনা বিতরণ নিজ মাতৃভূমিতেই আমরা কেন নিরাপদ নই?নিরাপত্তাহীনতার বেদনায় রাষ্ট্র, সমাজ ও নাগরিকের আত্মজিজ্ঞাসা রাণীনগর ইয়ুথ অর্গানাইজেশনের ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত কাশিয়ানীতে ‘স্বপ্নছোঁয়া’ ফ্যাশন হাউজে আলফাডাঙ্গা’র গণমাধ্যমকর্মীদের আড্ডা ও কেনাকাটা এম.এ খালেক মহাবিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন সরদার মোঃ নুরুজ্জামান মোরেলগঞ্জে আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০২৬ অনুষ্ঠিত

অভিযোগ ছাড়াই মসজিদের ঈমামকে বিদায়, খাবার বন্ধ করে মানবিক সংকট, স্থানীয়দের ক্ষোভ!

  • প্রকাশিত সময় : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭৯ বার পড়েছেন

সিরাজদিখান প্রতিনিধিঃ মোহাম্মদ রোমান হাওলাদার
তারিখ-১০/০৪/২০২৬ ইং।

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে অবস্থিত চন্দনধূল খোদাইবাড়ী মসজিদের ঈমামকে কোনো প্রকার লিখিত অভিযোগ বা প্রমাণ ছাড়াই বিদায়ের অভিযোগ উঠেছে মসজিদ কমিটির বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে তাকে অপসারণের আগে তার খাবারের ব্যবস্থাও বন্ধ করে দেওয়ার মতো অমানবিক আচরণের অভিযোগে এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযুক্ত হিসেবে মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল করিম বেপারী, সাধারণ সম্পাদক স্বপন মৃধা, সহ সভাপতি রমজান মোল্লা এবং উপদেষ্টা ধলু তালুকদারের নাম উঠে এসেছে।
ভুক্তভোগী ইমাম জানান, তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অন্যায় বা অপকর্মের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই। তবুও ব্যক্তিগত অপছন্দের কারণে তাকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

তার ভাষায়, “আমার বিরুদ্ধে কোনো দোষ নাই। তবুও আমাকে ১৫ দিনের মধ্যে মসজিদ ছাড়তে বলা হয়েছে। এটা সম্পূর্ণ অন্যায়।” ইমাম জানান, প্রায় তিন মাস আগে মসজিদে একটি চুরির ঘটনার পর থেকেই তাকে অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু হয়। যদিও ওই ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে তিনি দাবি করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, কমিটির সিদ্ধান্তে একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির প্রভাব রয়েছে, যার কারণে পুরো প্রক্রিয়াটি একতরফাভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হিসেবে উঠে এসেছে তার খাবার বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়টি। ইমামের দাবি, “আমার চাকরি যাওয়ার তিন দিন আগে আমার খাবার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যারা খাবার দিত, তাদেরও নিষেধ করা হয়েছে। পরে আমাকে নিজের ব্যবস্থা করে চলতে হয়েছে।”
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকার অনেক মুসল্লি ইমামের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তবে মসজিদ কমিটি তাদের সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোনো ইমামকে অপসারণ করতে হলে যথাযথ কারণ দেখিয়ে পূর্ব নোটিশ প্রদান এবং বকেয়া বেতন পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সেই নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

তবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলেও ভুক্তভোগী ইমাম শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি চাই না মসজিদকে কেন্দ্র করে কোনো গণ্ডগোল হোক। প্রয়োজনে আমি নিজেই সরে যাব।”
এ ঘটনায় এলাকায় নানামুখী প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অভিযোগ ছাড়া একজন ধর্মীয় নেতাকে অপসারণ এবং তার মৌলিক প্রয়োজন বন্ধ করে দেওয়ার মতো ঘটনার বিচার ও জবাবদিহিতা নিয়ে জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে।

কি কারণে মসজিদের ঈমাম মোহাম্মদকে বিদায় করা হলো এ বিষয়ে অভিযুক্ত মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল করিম বেপারী, সাধারণ সম্পাদক স্বপন মৃধা, সহ সভাপতি রমজান মোল্লা এবং উপদেষ্টা ধলু তালুকদারের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা প্রতিবেদককে কোন সদুত্তর দিতে পারেন নি!

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর