1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মারিয়াকে উন্নয়ন, সেবা ও জবাবদিহিতার মডেল ইউনিয়নে গড়ার প্রত্যয় মোস্তাফিজের ৮নং মারিয়া ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাফিজের আত্মপ্রকাশ আলফাডাঙ্গায় পৈতৃক জমি নিয়ে বিরোধ: চাচার মামলায় ভাতিজার পরিবারে অবরুদ্ধ জীবন, টয়লেট-রান্নাঘর নির্মাণেও বাধা কুড়িগ্রামে দুই বৃদ্ধ মা-মেয়ের টিকে থাকার লড়াই‘আগে মা ভিক্ষা করি খাওয়াইছে, এখন আমি ভিক্ষা করি মাকে খাওয়াই’ শার্শায় গভীর রাতে পুলিশের অভিযান, ২০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার পানি জমলেই বিপদ, ডেঙ্গু ছড়াবে দ্রুত’—এডিস নিধনে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বানমোঃ জোনায়েদ হোসেন জুয়েল কলমের কালি বৃথা যায়নি জনদুর্ভোগের বিরুদ্ধে জনতার বিজয় কাশিয়ানীতে মরিশাস প্রবাসী আকাশ মিয়ার সন্তানের সুস্থতা ও নতুন ভবনে প্রবেশ উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত আশ্রমে হামলা-ভাঙচুর, জোর করে তালা!জায়গা-সম্পত্তি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, নিরাপত্তাহীনতায় ৭০ বছরের সভাপতি মঠবাড়িয়ায় জেলা প্রশাসকের দিনব্যাপী সরেজমিন পরিদর্শন বাগআঁচড়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে যুবলীগ নেতা ও ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার

আলফাডাঙ্গায় পৈতৃক জমি নিয়ে বিরোধ: চাচার মামলায় ভাতিজার পরিবারে অবরুদ্ধ জীবন, টয়লেট-রান্নাঘর নির্মাণেও বাধা

  • প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৮২ বার পড়েছেন

আলমগীর কবির,
​আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:

​ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় পৈতৃক ও ক্রয়সূত্রে প্রাপ্ত জমিতে বসতভিটা নির্মাণ করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের একের পর এক মিথ্যা মামলা ও হয়রানিতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে একটি নিরীহ পরিবার। নিজ নামে জমি রেকর্ড ও যাবতীয় হালনাগাদ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও আপন চাচার দায়ের করা মামলা এবং সীমানা জটিলতায় বর্তমানে অবরুদ্ধ জীবনযাপন করছেন ভুক্তভোগী মো. মিনহাজুল মিঠু ও তার পরিবার। আদালতের ১৪৪ ধারার নিষেধাজ্ঞার দোহাই দিয়ে তাদের নিজস্ব ভিটাবাড়িতে একটি টয়লেট কিংবা রান্নার জায়গা পর্যন্ত নির্মাণ করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
​স্থানীয় সূত্র ও জমির কাগজপত্রে জানা যায়, পৌর এলাকার ৬৭ নম্বর মিঠাপুর মৌজায় বিরোধপূর্ণ মোট ৫৬ শতাংশ জমির মূল দাতা ছিলেন জয়নাল ফকির। তিনি পূর্ব তরফ থেকে নির্দিষ্ট চৌহদ্দি (উত্তরে আলি মৃধা, পূর্বে মহিউদ্দিন, দক্ষিণে জয়নাল খালাসি এবং পশ্চিমে দাতা নিজ) উল্লেখ করে জাকির ও কামালকে ২৮ শতাংশ জমি দলিল করে দেন। অবশিষ্ট পশ্চিম দিকের ২৮ শতাংশ জমি অপর শরিক মান্নান ফকির ওরফে আবু বক্কার সিদ্দিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
​পরবর্তীতে জাকির ও কামাল তাদের পূর্ব তরফের ২৮ শতাংশ জমি মিনহাজুল মিঠুর আপন চাচা হান্নান ফকিরের নিকট বিক্রি করেন। এর কিছুকাল পরে মান্নান ফকির ওরফে আবু বক্কর সিদ্দিক তার প্রাপ্ত ২৮ শতাংশ জমি থেকে পূর্ব-দক্ষিণ দিক থেকে ১২ শতাংশ জমি হান্নান ফকিরের নিকট বিক্রি করেন। বর্তমানে মান্নান ফকিরের অবশিষ্ট ১৬ শতাংশ জমি রাস্তার পাশে উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত, যা তিনি প্রায় এক বছরের বেশি সময় ধরে ভোগদখলে রেখেছেন।
​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ওই জমি কেনাবেচার সময় চাচা হান্নান ফকির তার দাতার মূল দলিলের সীমানা ও চৌহদ্দি চতুরতার সঙ্গে পরিবর্তন করে তাদের পরিবারকে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছেন।


​অভিযোগ সূত্রে আরও জানা যায়, মিনহাজুল মিঠু তার পিতা মৃত আবু বক্কার সিদ্দিকের প্রাপ্ত জমিতে বি.এস-৬৭৭ নম্বর খতিয়ানের ২৬৮৭ নম্বর দাগের ১৬ শতাংশ জমিতে পরিবার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস ও ভোগদখল করে আসছেন। অথচ যাবতীয় কাগজপত্র হালনাগাদ থাকা সত্ত্বেও চাচা হান্নান ফকির, আবির হোসেন ও দাউদ মোল্যা গং ওই জমি জবরদখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
​ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, গত ২ জুন ও ২২ জুলাই তারিখে প্রতিপক্ষরা বেআইনিভাবে তাদের বসতঘরে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এতে তাদের প্রায় ১ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়। পরবর্তীতে ওই চৌহদ্দি সংক্রান্ত বিরোধকে ঢাল বানিয়ে চাচা হান্নান ফকির বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ওই জমিতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
​ভুক্তভোগী মো. মিনহাজুল মিঠু ও তার স্ত্রী আফসানা বেগম আক্ষেপ করে জানান, ‘কাগজপত্র অনুযায়ী জমি আমাদের বৈধ পৈতৃক ও স্বত্ব দখলীয় সম্পত্তি। কিন্তু আমার আপন চাচা হান্নান ফকির উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সীমানা উল্টাপাল্টা করে মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের অবরুদ্ধ করে রেখেছেন। আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে আমরা বসতভিটায় স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছি না; রান্নার জায়গা বা একটি টয়লেট পর্যন্ত নির্মাণ করতে দেওয়া হচ্ছে না।’


​এ বিষয়ে অভিযুক্ত হান্নান ফকিরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটি আমার পৈতৃক সম্পত্তি। আমি কেন জমির চৌহদ্দি পরিবর্তন করতে যাব এবং তাদের কেন হয়রানি করব? অভিযোগকারীর অভিযোগ সঠিক নয়।’
​ঘটনার বিষয়ে আলফাডাঙ্গা থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) কাজী নেওয়াজ জানান, আদালত কর্তৃক জারিকৃত ১৪৪ ধারার নোটিশ সরজমিনে গিয়ে জারি করা হয়েছে এবং উভয় পক্ষকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বলা হয়েছে।
​বর্তমানে ভুক্তভোগী পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এই বিরোধপূর্ণ বিষয়টি সুষ্ঠু ও দ্রুত সমাধানের জন্য তারা স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ ও সার্বিক

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর