1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
এম.এ খালেক মহাবিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন সরদার মোঃ নুরুজ্জামান মোরেলগঞ্জে আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০২৬ অনুষ্ঠিত কাশিয়ানীর মহেশপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই যুবকের মৃত্যু। মহাম্মদপুর বিএনপি’র একাংশের বিভিন্ন দপ্তরের চাঁদাবাজির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ। মানুষ শ্রেষ্ঠ জীব—তবু কখনো কেন পশুকেও হার মানায়? দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটের ট্রেনের যাত্রাবিরতি; উচ্ছ্বসিত মহেশপুর-কাশিয়ানীর মানুষ কুড়িগ্রামে ৪টি বিদ্যালয়ে ফল বিপর্যয়, সবাই ফেল কুড়িগ্রামের উলিপুরে স্ত্রীর যৌতুকের মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার পুলিশের বিশেষ অভিযানে মোরেলগঞ্জে ১০ জান গ্রেপ্তার দিনমজুর বাবার সাথে কৃষি জমিতে হাড়ভাঙ্গা খাটুনি খেটেজিপিএ-৫ পেল কুড়িগ্রামের পলাশ চন্দ্র রায়

কুড়িগ্রামে দাখিল পরীক্ষায় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মিতুর প্রতি বঞ্চনা

  • প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১২৯ বার পড়েছেন

হুমায়ুন কবির সূর্য, কুড়িগ্রাম : ২১/০৪/২৬

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে এক দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর প্রতি দাখিল পরীক্ষায় প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা প্রদান না করার অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, গত ২১ এপ্রিল উপজেলার শাহ্ বাজার এ এইচ ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের (কেন্দ্র নং-৩৮০) ১নং হলে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ভাঙামোড় দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ফারজানা মিতুর (রোল: ৪২২৬৩৬) প্রতি এই বঞ্চনা করা হয়। এসময় তাকে সাধারণ পরীক্ষার্থীদের মতোই পরীক্ষা দিতে দেখা যায়।
অথচ শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত সময়সহ বিশেষ সহায়তা পাওয়ার কথা। কিন্তু এসব সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন ওই শিক্ষার্থী।
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী ফারজানা মিতু জানান, তিনি একজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এবং সরকারি ভাতাও পান। এর আগে একবার দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েও কোনো বাড়তি সুবিধা না পাওয়ায় তিন বিষয়ে অকৃতকার্য হন। এবার সেই বিষয়গুলোতেই পুণরায় পরীক্ষা দিচ্ছেন তিনি। নিয়ম অনুযায়ী অতিরিক্ত সময়ের জন্য আবেদন করার পরও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
জ্যেষ্ঠ শিক্ষক ও সিনিয়র সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা বাড়তি সুবিধা পাওয়ার দাবিদার। আবেদন করার পরও যদি সে তা না পায়, তাহলে এটি স্পষ্টভাবে তার অধিকার লঙ্ঘন। একটু অতিরিক্ত সময় পেলে সে আরও ভালো করতে পারতো।

অন্যদিকে, দাখিল মাদ্রাসার সুপার ইসমাইল হোসেন জানান, পূর্বে মিতুর পরিবার থেকে কোনো আবেদন করা হয়নি। তবে পরীক্ষার দিন কেন্দ্র সচিবের কাছে আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্র সচিব মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম জানান, আবেদন পাওয়া গেলে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার আব্দুস সালাম জানান, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর আবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী অতিরিক্ত সময় বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) দিলারা আক্তার জানান, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী মিতু পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন এ তথ্য আগে থেকে জানা ছিল না। মঙ্গলবার পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে কেন্দ্র সচিব বিষয়টি অবগত করলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। তিনি আরও বলেন, পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে যেন বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী মিতু প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত সময়সহ সব ধরনের সুবিধা পায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার আশ্বাস দেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর