1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কিশোরগঞ্জে পৈত্রিক জমিতে হামলার অভিযোগ, যুবককে কুপিয়ে জখম মোরেলগঞ্জে নারীসহ চার মাদককারবারিকে অর্থদন্ডসহ কারাদণ্ড খুলনায় জলবায়ু অভিবাসন কেন্দ্রের পরিচালন নির্দেশিকা প্রণয়নে যৌথ কর্মশালা অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজির মামলায় জামায়াত নেতা হাজী নজরুল ও সহযোগী কারাগারে, ছবি নিতে সাংবাদিকদের বাঁধা প্রতিবন্ধী নারীদের নেতৃত্ব, অ্যাডভোকেসি ও ফান্ডরেইজিং বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ৪টি বিদ্যালয়ে ফল বিপর্যয়, সবাই ফেল কুড়িগ্রাম সীমান্তে দুই চোরাকারবারীসহ ৭৮ লক্ষ টাকার মালামাল উদ্ধার কুুড়িগ্রা‌মে বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে জেলের মৃত্যু, আহত ৫ দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধির পিতার ইন্তেকাল তারাগঞ্জে ব্যবসায়ীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি রংপুর মেডিকেলে

কুড়িগ্রামে চরাঞ্চলের উন্নয়নে পৃথক মন্ত্রণালয় ও আলাদা বাজেটের দাবী

  • প্রকাশিত সময় : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬
  • ১২০ বার পড়েছেন

হুমায়ুন কবির সূর্য, কুড়িগ্রাম: ০১.০৬.২০২৬

চরাঞ্চলের মানুষের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পৃথক চর বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন এবং চরবাসীর জন্য আলাদা বাজেট বরাদ্দের দাবী জানিয়েছে বাংলাদেশ চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদ। এই দাবিতে সোমবার (১ জুন) সকালে কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সংগঠনটি।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, দেশের শতাধিক উপজেলার প্রায় দুই কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নদী ভাঙনের শিকার| অথচ দারিদ্র্য, অবহেলা ও পরিকল্পনার অভাবে চরাঞ্চলের মানুষ এখনো শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগ ও নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তাই চরবাসীর জীবনমান উন্নয়নে আলাদা পরিকল্পনা ও বিশেষায়িত সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন।
লিখিত বক্তব্যে বাংলাদেশ চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু জানান, কুড়িগ্রাম দেশের অন্যতম বৃহৎ চরাঞ্চল অধ্যুষিত জেলা। জেলায় প্রায় চার শতাধিক চর রয়েছে, যার মধ্যে আড়াই শতাধিক চরে মানুষের বসবাস। এসব এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন, দারিদ্র্য, যোগাযোগ সংকট এবং মৌলিক নাগরিক সুবিধার অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছে।


সংগঠনটির তথ্যমতে, গত ১০ বছরে কুড়িগ্রামে প্রায় এক লাখ মানুষ নদীভাঙনের কারণে গৃহহীন হয়েছে। নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে হাজারো পরিবারের বসতভিটা, ফসলি জমি ও জীবিকার উৎস। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা থেকেও ছিটকে পড়ছে। প্রতিবছর নতুন নতুন পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়ে অনিশ্চিত জীবনের মুখোমুখি হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে কুড়িগ্রাম জেলার অন্তত পাঁচ হাজার পরিবার অভ্যন্তরীণ স্থানান্তরের শিকার হয়। এছাড়া গত পাঁচ বছরে নদী ভাঙনের কারণে প্রায় দুই হাজার পরিবার স্থায়ীভাবে ঢাকা, ঠাকুরগাঁও ও পার্বতীপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলে গেছে।
এসময় বক্তারা চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, নদীভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা এবং পুনর্বাসনের জন্য বিশেষ তহবিল গঠনের আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ চর উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল হক রুবেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাঈয়েদ আহমেদ বাবুসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ| এসময় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন|#

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর