1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
​৩৯৫ পিস ইয়াবাসহ তুরাগে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আলফাডাঙ্গায় চা-দোকানি রবিউল হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মারুফ গ্রেপ্তার আলফাডাঙ্গায় শ্যালকের ওপর ভগ্নিপতির হামলা: প্রতিবন্ধী দ্বীন ইসলামের হাত ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ​মাদকের অন্ধকার ঠেকাতে কাবাডির মাঠে মহম্মদপুরের তারুণ্যের লড়াই কুড়িগ্রামে বিশ্ব নদী দিবস পালিত কুড়িগ্রামে গণশুনানী অনুষ্ঠিত ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে – মাওলানা আন্তাজুল ইসলাম সাংবাদিক নেতা আবু জাফর সূর্য গ্রেফতার চিলমারীতে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামের রৌমারীতে স্কুল ঘেঁষে ইট ভাটা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা

​ক্যানসার আক্রান্ত সন্তানকে বাঁচাতে মায়ের আহাজারি: সহায়তার আকুতি ভূমিহীন পরিবারের

  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬
  • ১২৪ বার পড়েছেন

​হুমায়ুন কবির সূর্য, কুড়িগ্রাম |

​কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামের উলিপুরে ক্যানসার আক্রান্ত একমাত্র পুত্রসন্তানের চিকিৎসার অর্থ জোগাড় করতে না পেরে দিশেহারা এক ভূমিহীন পরিবার। অর্থের অভাবে চোখের সামনে তিল তিল করে নিভে যাচ্ছে সাড়ে চার বছরের শিশু রেদওয়ান ইসলাম রাব্বীর জীবন। উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ৮ লক্ষ টাকা জোগাড় করতে না পেরে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন মা রুপালী বেগম; তার আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠছে ওই এলাকার আকাশ-বাতাস।
​দারিদ্র্যের সংসারে মরণব্যাধির হানা
​উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের অনন্তপুর ভাটিগ্রামের দিনমজুর আলম বাদশা ও রুপালী বেগমের সংসারে আলো হয়ে এসেছিল রাব্বী। কিন্তু জন্মের পর থেকেই তার চোখের সমস্যায় বিষাদ নেমে আসে। স্থানীয় চিকিৎসকদের কাছে ধরনা দিয়ে শেষ পর্যন্ত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেলে চিকিৎসকরা ক্যানসার সন্দেহ করেন।
​পরবর্তীতে গ্রামবাসীর সহায়তায় উত্তোলিত ৭০ হাজার টাকা নিয়ে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয় তাকে। সেখানকার পেডিয়াট্রিক হেমাটোলজি ও অনকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. আনোয়ারুল করিমের তত্ত্বাবধানে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, রাব্বী চোখে ক্যানসারে আক্রান্ত।
​অর্থের অভাবে থমকে গেছে চিকিৎসা
​হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাব্বীর অপারেশনের জন্য কমপক্ষে ৮ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। কিন্তু মাথাগোঁজার ৬ শতক ভিটেবাড়ি ছাড়া আলম বাদশার আর কিছুই নেই। নুন আনতে পান্তা ফুরানো এই পরিবারের পক্ষে এত বিশাল অঙ্কের টাকা জোগাড় করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে দুই সপ্তাহ ঢাকা থাকার পর চিকিৎসার টাকা না থাকায় শূন্য হাতে বুকফাটা কান্না নিয়ে গ্রামে ফিরে আসতে হয়েছে বাবা-মাকে।
​রাব্বীর মা রুপালী বেগম বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। কোনো কথাই শেষ করতে পারছেন না তিনি। বাবা আলম বাদশা অশ্রুসিক্ত চোখে বলেন,
​”ছেলেরে বাঁচাতে ৮-১০ লাখ টাকা দরকার। মাছ ধরে খাই, এই টাকা কোথায় পাবো? এখন আল্লাহর রহমত আর বিত্তবানরাই পারেন আমার সন্তানকে বাঁচাতে।”
​প্রতিবেশীদের আর্তি ও সরকারি আশ্বাস
​প্রতিবেশী মনছুর আলী ও ফাতেমা বেগম জানান, গ্রামের মানুষ সাধ্যমতো চাঁদা তুলে শুরুতে সহায়তা করেছে। কিন্তু এখন যে পরিমাণ টাকা প্রয়োজন, তা এই দরিদ্র গ্রামবাসীদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। বিত্তবান ও প্রবাসীরা এগিয়ে না এলে শিশুটি অকালেই ঝরে যাবে।
​বিষয়টি নিয়ে উলিপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার লুৎপর রহমান বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত হলাম। তদন্ত সাপেক্ষে সরকারি বিধি মোতাবেক দ্রুত আর্থিক সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
​সহায়তা পাঠাতে যোগাযোগ:
​একটি ফুটফুটে শিশুর জীবন বাঁচাতে এবং এক অসহায় মায়ের চোখের পানি মুছতে দেশ-বিদেশের বিত্তবান ও দাতা সংস্থাগুলোর সহায়তা কামনা করেছে পরিবারটি।
​মোবাইল: ০১৯৩০৬২৯১৯০ (আলম বাদশা, পিতা)
​বিকল্প যোগাযোগ: ০১৭১২৫০১৮৫২

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর