কে এম শাকীর,নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে পালন করা হয়।
বুধবার সকালে কিশোরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহীদ আবু নাঈমের কবর জিয়ারত শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা ও পুরুস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম, কিশোরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল গফুর, উপজেলা জামায়াতের আমীর আব্দুর রশীদ শাহ্, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ কে এম তাজুল ইসলাম ডালিম, উপজেলা নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম লাবু, উপজেলা ছাত্র শক্তির আহবায়ক মোতালেব হোসেন,ছাত্র প্রতিনিধি রিফাত হোসেন ও শহীদ সাব্বির হোসেন মুন্নার ছোট বোন সুমাইয়া আক্তার প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ছাত্র প্রতিনিধি রিফাত হোসেন উপজেলা প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,যে জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে আজ প্রশাসনের চেয়ারে বসেছেন সেই আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী ছাত্রদেরকে আপনারা ভুলে গিয়েছেন। আজ ছাত্রদের এই আয়োজনে ডাক দেয়া হয়নি। কেন হয়নি সেই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন,আজ এই আয়োজনে কার কথা বলে বক্তব্য দিবেন। যারা আন্দোলন করেছে আজ তাদেরকে সম্মান দেয়া হয় না। তিনি সকল রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশ্য করে বলেন,আপনাদের কাছে দেশবাসী ন্যায় ও ইনসাফের একটি সমাজ চায়। তিনি সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বক্তব্য শেষ করেন।

শহীদ সাব্বির হোসেন মুন্নার ছোট বোন সুমাইয়া বলেন,সরকার আজ পর্যন্ত আমার ভাইয়ের গেজেট দিলো না। সরকার কি চায় আমার ভাইয়ের শাহাদাতের বিষয়ে। আজ পর্যন্ত আমার মা স্বাভাবিক ভাবে ঘুমাতে পারে না। সরকারের প্রতি দাবী আমার ভাইয়ের লাশ ঢাকা থেকে উত্তোলন করে নিজ গ্রামে কবরস্থ করার জন্য। পরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরুস্কার বিতরণের মাধ্যমে দিবসের কার্যক্রম শেষ করা হয়।

Leave a Reply