1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কুড়িগ্রামে কন্যাশিশুর বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত সেবার আলোয় নতুন ঠিকানা, আস্থায় এগিয়ে স্বদেশ ডায়াগনস্টিক সেন্টার আলফাডাঙ্গায় ঐতিহ্যবাহী পানিপাড়া যুবসমাজের উদ্যোগে বার্ষিক নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা ও মেলা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় ১১৯ শিশু ফিরল বিদ্যালয়ে, শিশুশ্রমমুক্ত ঘোষণা দেবহাটা কুড়িগ্রামের বিভিন্ন সীমান্তে প্রায় ১০লক্ষ টাকার মালামাল জব্দ করেছে বিজিবি মোরেলগঞ্জে গ্রাম পুলিশের মাসব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের উদ্বোধন মোরেলগঞ্জে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস উপলক্ষে শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত ৬১ লাখ টাকার অডিট আপত্তি নিয়ে ধোঁয়াশা, দায়িত্বে না থেকেও রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ!অডিট আপত্তির স্মারক-নম্বর ও প্রকল্পভিত্তিক নথি কোথায়? ২০২২-২৩ অর্থবছরের অভিযোগের সঙ্গে ২০২৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি যোগ দেওয়া নির্বাহী প্রকৌশলীর সংশ্লিষ্টতা নিয়েও প্রশ্ন!! মোরেলগঞ্জে শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় পিএফজি-এর ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত সনদ যাচাই হোক, নিরাপদ হোক মানুষের চিকিৎসা

​অনার্স জীবনের শেষ অধ্যায়: ভাইভা পরীক্ষা, শিক্ষকের স্নেহ আর হাজারো স্মৃতির বিদায় সংবর্ধনা

  • প্রকাশিত সময় : শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ১১০ বার পড়েছেন

​জীবনের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বর্ণিল অধ্যায়ের সফল সমাপ্তি ঘটলো গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের অনার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের। দীর্ঘ চার বছরের শিক্ষা জীবন, ক্লাস-অ্যাসাইনমেন্টের ব্যস্ততা, বন্ধুদের সাথে আড্ডা আর শিক্ষকদের শাসন-স্নেহে কেটে যাওয়া সময়গুলো আজ স্মৃতির ফ্রেমে বন্দি হলো। চূড়ান্ত ভাইভা (মৌখিক) পরীক্ষা ও জমকালো বিদায় অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হলো তাঁদের অনার্স জীবন।

​ভাইভা পরীক্ষার নির্ধারিত দিনে সকাল থেকেই ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে ও করিডোরে ছিল শিক্ষার্থীদের উৎসুক ও মুখরিত উপস্থিতি। বছরের পর বছর ধরে চলা পরিশ্রমের চূড়ান্ত স্বীকৃতি পেতে ভাইভা বোর্ডে উপস্থিত হন তাঁরা।

​পরীক্ষা শেষে আবেগঘন অনুভূতি প্রকাশ করে শিক্ষার্থী তৈবুর রহমান বলেন,

“গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজে চারটি বছরের এই জার্নিটা আমাদের জন্য খুবই চমৎকার ছিল। আজ ভাইভা পরীক্ষার মধ্য দিয়ে অনার্স জীবনের শেষ হলো। শিক্ষকরা পরম মমতায় আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন। ছাত্র-শিক্ষকের এই সম্পর্কটা তো আত্মার। চার বছরে আমাদের কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে শিক্ষকরা তা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। বন্ধুদের সঙ্গে কাটানো এই মুহূর্তগুলো আজীবন মনে থাকবে।”

​পরীক্ষার কঠিন ধাপ পার হওয়ার পর দীর্ঘদিনের সহপাঠী ও প্রিয় শিক্ষকদের বিদায় জানানোর মুহূর্তে অনেককেই আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়। ক্যাম্পাস ছেড়ে যাওয়ার সানাই বাজলেও নতুন জীবনের স্বপ্ন আর স্মৃতির ঝাঁপি নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন শিক্ষার্থীরা।

​একই অনুভূতি প্রকাশ করে আরেক শিক্ষার্থী সুমাইয়া সামিরা জানান,

“দীর্ঘ চার বছর শিক্ষকরা আমাদের অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। আজ চূড়ান্ত ভাইভা শেষ হলো, একই সাথে শেষ হলো আমাদের স্নাতক জীবন। সামনে মাস্টার্স করা এবং চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার পরিকল্পনা আছে। আজ বন্ধুদের ছেড়ে যেতে কষ্ট হচ্ছে, সবাইকে খুব মিস করব। তবে এই বিদায় তো শেষ নয়, সবার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।”

​ভাইভা পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরপরই শেষ মুহূর্তগুলোকে স্মরণীয় করে রাখতে শিক্ষার্থীরা মেতে ওঠেন আনন্দ-উৎসবে। আয়োজিত হয় বিশেষ বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। এতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠান শেষে একে অপরের সাথে ছবি তোলা, কোলাকুলি করা এবং শুভকামনা জানানোর মধ্য দিয়ে শেষ হয় উৎসবমুখর দিনটি।

​ক্যাম্পাস জীবন শেষ হলেও শিক্ষা ও অনুশাসনের আলোয় আলোকিত হয়ে প্রাক্তনীরা সমাজ ও দেশের কল্যাণে অবদান রাখবেন—এমটাই প্রত্যাশা কলেজ কর্তৃপক্ষের।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর