1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নীলফামারীতে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু মোহাম্মদপুরে কৃষি প্রনোদনা বিতরণ নিজ মাতৃভূমিতেই আমরা কেন নিরাপদ নই?নিরাপত্তাহীনতার বেদনায় রাষ্ট্র, সমাজ ও নাগরিকের আত্মজিজ্ঞাসা রাণীনগর ইয়ুথ অর্গানাইজেশনের ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত কাশিয়ানীতে ‘স্বপ্নছোঁয়া’ ফ্যাশন হাউজে আলফাডাঙ্গা’র গণমাধ্যমকর্মীদের আড্ডা ও কেনাকাটা এম.এ খালেক মহাবিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন সরদার মোঃ নুরুজ্জামান মোরেলগঞ্জে আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০২৬ অনুষ্ঠিত কাশিয়ানীর মহেশপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই যুবকের মৃত্যু। মহাম্মদপুর বিএনপি’র একাংশের বিভিন্ন দপ্তরের চাঁদাবাজির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ। মানুষ শ্রেষ্ঠ জীব—তবু কখনো কেন পশুকেও হার মানায়?

—– মোরেলগঞ্জে কাটিমন আম চাষে কৃষকের সফলতা,অনলাইনে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে

  • প্রকাশিত সময় : সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬
  • ৪৩ বার পড়েছেন

শেফালী আক্তার রাখি, মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধিঃ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার দৈবজ্ঞহাটী ইউনিয়নের খালকুলা গ্রামের কৃষক হালদার রুহুল মোমিন মুকুল বারোমাসি কাটিমন আম চাষ করে গোটা এলাকায় সাড়া ফেলেছেন। ছোটবেলা থেকেই লক্ষ্য ছিল চাকরি না খুঁজে নিজেই আত্মকর্মসংস্থান তৈরি করবেন। সেই স্বপ্নই আজ বাস্তবে রুপ নিলো। তাঁর বাগানের বিষমুক্ত সুস্বাদু আম এখন অনলাইনের মাধ্যমে পৌঁছে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

খালকুলা গ্রামে ২০২০ সালে তার পিতার দুই একর জমিতে এই আম বাগানের সূচনা করেন মুকুল। চুয়াডাঙ্গা থেকে প্রথমে ১০০টি কাটিমন আমের চারা এনে পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করেন। প্রথম বছরেই সব খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ৫০ হাজার টাকা লাভ করেন। সেই সফলতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে পরবর্তীতে আরও ২০০টি চারা রোপণ করেন। বর্তমানে তাঁর বাগানে গাছের সংখ্যা ৩০০টি। বিগত কয়েক বছরে ফলন ভালো হওয়ায় এবং বাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকায় আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত আম বিক্রি করেছেন তিনি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বাগানের প্রতিটি গাছের ডালে থোকায় থোকায় ঝুলছে আম।বারোমাসি এই কাটিমন আম অত্যন্ত সুস্বাদু,মিষ্টি এবং এর আঁটি বেশ পাতলা। বাগান থেকে প্রতি কেজি আম বর্তমান সিজনে ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চলতি বছরে ৩০০টি গাছের পরিচর্যা, শ্রমিক মজুরি ও ওষুধ বাবদ মোট ১ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এবার ৫ থেকে ৬ লাখ টাকার আম বিক্রি করতে পারবেন বলে মুকুল আশা করেন।

সফল চাষি হালদার রুহুল মোমিন মুকুল বলেন,আমাদের এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে লবণাক্ততার কারণে আমের চাষ তেমন হতো না। তবে এখন মিষ্টি পানির জোগান দেওয়ায় কাটিমন চাষে দারুণ ফলন পেয়েছি। ক্রেতাদের হাতে বিষমুক্ত আম তুলে দিতে পেরে আমার আত্মতৃপ্তি হচ্ছে। অনেকেই বাগানে এসে নিজ হাতে আম পেড়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়াও অনলাইনের মাধ্যমে এবং আমার মোবাইল: ০১৭১৪৫০৯৩৩৭ নাম্বারে যোগাযোগের মাধ্যমে কুরিয়ারেও আম পাঠানো হচ্ছে।

এ বিষয়ে মোরেলগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, বাজারে কাটিমন আমের প্রচুর চাহিদা থাকায় এর দাম সাধারণ আমের চেয়ে একটু বেশি। উপজেলার খাউলিয়া ও বনগ্রামসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে ছোট ছোট বাগান হলেও, দৈবজ্ঞহাটীর খালকুলা গ্রামে কৃষক রুহুল মোমিন মুকুল বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ করে বাম্পার ফলন ফলিয়েছে,যা গোটা উপজেলায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর