1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জাতীয় দৈনিক অর্থদৃষ্টির জেলা প্রতিনিধির উপর সন্ত্রাসী হামলা!! আলফাডাঙ্গায় পানাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি’র নির্বাচন স্থগিত ও কারণ দর্শানোর নোটিশ তারাগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির ফলাফল প্রকাশ, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছতায় প্রশাসনের প্রতি বাড়ছে জনসাধারণের আস্থা কুড়িগ্রাম সীমান্তে ২১ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ তরুণ সমাজের ধ্বংসযাত্রা: নেতা জেতে, জাতি হারে পোনা এম.এ খালেক মহাবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম এম.এ খালেকের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত আলফাডাঙ্গায় ১০ পিস ইয়াবাসহ মাদকবিক্রেতা গ্রেফতার, আদালতে সোপর্দ কিশোরগঞ্জে দুই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ নীলফামারীতে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু মোহাম্মদপুরে কৃষি প্রনোদনা বিতরণ

বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের মার্কেটের আয়ের টাকা যাচ্ছে কার পকেটে—উঠছে নানা প্রশ্ন

  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১১ বার পড়েছেন

মোঃরফিকুল ইসলাম মিঠু ঢাকা।।

ঢাকা ১৮ আসনের আওতাধীন দক্ষিণখানের জয়নাল মার্কেট এলাকায় অবস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের মার্কেটের ভাড়ার টাকা কার কার পকেটে যায় তা নিয়ে রয়েছে ব্যাপক গুঞ্জন। মূলত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের ছিলেন নোয়াখালীর বাসিন্দা। ৬০ এর দশকে তিনি জয়নাল মার্কেট এসে স্থানীয় এক ব্যক্তির কন্যার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তখন থেকেই তিনি জয়নাল মার্কেট এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
তারই বাড়ীর সামনে রেল লাইনের কিছু খাস জমি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তিনি লিজ আনেন। প্রথমদিকে জায়গা গুলি যদিও কৃষি কাজে ব্যবহার করা হয়। পরবর্তীতে সেখানে গড়ে ওঠে ছোট ছোট কিছু দোকানপাট। মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের জীবিত থাকা অবস্থায় সেখান থেকে কিছু টাকা আয় হলে তা দিয়ে তিনি চলতেন। তার মৃত্যুর পর তার পুত্র মোহাম্মদ কিরন মিয়া দোকানগুলো দেখভাল করতেন।কিরণ মিয়ার অকাল মৃত্যুতে তারই ছোট ভাই মিলন দায়িত্বটা পালন করতেন। মিলন আওয়ামী লীগ সমর্থিত হওয়ায় ৫ ই আগস্ট এর পর থেকে উক্ত মার্কেটে দোকানপাটের ভাড়া একের পর এক হাত বদল হতে থাকে। এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে অত্র মার্কেটের দোকানের ভাড়া বিএনপি’র কিছু নেতাকর্মী সহ জুলাই আন্দোলনের সদস্যদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা হয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় গাড়ির ওয়াকসপ, ফলের দোকান, মাংসের দোকান, চায়ের দোকান সহ মোট ২৩ টি দোকান রয়েছে।

প্রতিমাসে এই দোকানগুলো থেকে প্রায় চার লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা ভাড়া উঠে বলে জানা যায়। দোকানদারদের সাথে কথা বললে তারা কাকে ভাড়া দেন এ ব্যাপারে কোন সঠিক উত্তর পাওয়া যায়নি। এই মোটা অংকের টাকা গুলো কার কার পকেটে যাচ্ছে এ নিয়ে এলাকায় গুঞ্জন এর শেষ নেই। ওই মার্কেটে জুলাই রেভেলসের একটি অফিসও দেখা যায়। উক্ত বিষয়ে এলাকার সচেতন মহল আশা করেন সরকার ও প্রশাসন বিষয়গুলো আমলে নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর