মোঃরফিকুল ইসলাম মিঠু, ঢাকা।।
আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১ নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে আজমল হুদা মিঠুর কিছু প্রতিশ্রুতি। আমার দরজা ১ নং ওয়ার্ডবাসীর জন্য ২৪ ঘন্টা খোলা থাকবে। আমি একা নই ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাদেরকে নিয়ে একটি শান্তিময় সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আমি এই এলাকারই সন্তান, এই এলাকার প্রতিটি অলিগলি আমার চেনা। আমি আপনাদের নেতা নই সেবক হিসেবে আপনাদের খেদমত করতে চাই। আমাকে একবার নির্বাচিত করে দেখতে পারেন আমি আপনাদের জন্য কি করতে পারি একান্ত সাক্ষাৎকারে গড় গড় করে কথাগুলো বলে গেলেন ডিএনসিসির ১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আজমল হুদা মিঠু।
প্রতিবেদকঃকত সাল থেকে বিএনপি রাজনীতি করেন?
মিঠুঃ১৯৯৩ সাল থেকে।
প্রতিবেদকঃপূর্বে অন্য কোন দল করেছেন কিনা?
মিঠুঃ না। ছাত্র জীবন থেকেই বিএনপি রাজনীতির সাথে জড়িত।
প্রতিবেদকঃবর্তমানে দলের কোন পদে আছেন কিনা?
মিঠুঃসিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপি।
প্রতিবেদকঃআমরা শুনেছি দল থেকে আপনাকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং কেন?
মিঠুঃহ্যাঁ ঘটনা সত্য। দল কি কারনে করেছে তা আমি সঠিক বলতে পারব না। তবে যাচাই বাছাই করার পর ২৩ শে জানুয়ারী ২০২৬ ইং দল আমার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নেন।
প্রতিবেদকঃ নির্বাচিত হলে এলাকার জন্য অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কোন কোন কাজগুলো করবেন?
মিঠুঃমশার উপদ্রব, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, যানজট নিরসন।
প্রতিবেদকঃ কিশোর গ্যাং দমনে কোন পদক্ষেপ নিবেন কিনা?
মিঠুঃ হা। এমপি সাহেবের দিকনির্দেশনায় ওয়ার্ড বাসি ও পুলিশকে সাথে নিয়ে কিশোর গ্যাং ও বহিরাগতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
প্রতিবেদকঃ দল যদি আপনাকে সমর্থন না দেয় তাহলে নির্বাচন করবেন কিনা?
মিঠুঃ না।দলের সিদ্ধান্তের বাইরে আমি নির্বাচন করতে পারিনা। কেননা আমি দলকে আমার জীবনের চেয়ে বেশি ভালোবাসি। তবে আমি আশাবাদী দল আমাকে সমর্থন দিবে।
প্রতিবেদকঃ ঢাকা ১৮ আসনের বর্তমান অভিভাবকের সাথে আপনার সম্পর্ক কেমন।
মিঠুঃ ৩০ বছর ধরে উনার সাথে রাজনৈতিক সম্পর্ক। তবে তিনি আমাকে শুধু রাজনৈতিক সহযোদ্ধা হিসেবে নয় পরিবারের সদস্য মনে করেন।
প্রতিবেদকঃ ১৮ আসনের এমপি সম্পর্কে দু একটি কথা বলুন।
মিঠুঃ সাদা মনের মানুষ ও মানবিক মানুষ।
প্রতিবেদকঃ ভোটারদের উদ্দেশ্যে কি বার্তা দিতে চান।
মিঠুঃ ভোটাররা অবশ্যই স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে যাবেন এবং যোগ্য ব্যক্তিকেই ভোট দিবেন।

Leave a Reply