আলমগীর কবির, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলাকে মাদকমুক্ত করতে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন। গোপালপুর ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত ঘোষণা করার লক্ষ্যে ওয়ার্ডভিত্তিক সন্দেহভাজনদের তালিকা তৈরি করে প্রয়োজনে ডোপ টেস্টের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত নূর মৌসুমী। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, মাদকের সঙ্গে জড়িত কাউকেই কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই, ২০২৬) দুপুরে আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে আয়োজিত এক সচেতনতামূলক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচারের বিস্তার রোধ এবং মাদকদ্রব্যের ব্যবহার প্রতিরোধ’ শীর্ষক এই সভার আয়োজন করা হয়।
মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধের আহ্বান
সভায় ইউএনও রিফাত নূর মৌসুমী বলেন, “মাদক কেবল একজন ব্যক্তিকে নয়, বরং একটি পরিবার ও পুরো সমাজকে মেধাশূন্য করে দেয়। তাই মাদক নির্মূলে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। গোপালপুর ইউনিয়নে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধপরিকর।”
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণের তাগিদ
বর্তমান সময়ে গুজব ও অপপ্রচারের ভয়াবহতা তুলে ধরে ইউএনও বলেন, “তথ্য যাচাই না করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো কিছু শেয়ার করা দণ্ডনীয় অপরাধ। গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিস্তার রোধে প্রত্যেক নাগরিককে সচেতন হতে হবে এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।”
গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাইফুল খানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ.কে.এম. রায়হানূর রহমান।
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তরুণ বসু, গোপালপুর ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিট পুলিশ কর্মকর্তা এসআই সমীর কুমার হোড়, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুর জামান খসরু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আলফাডাঙ্গা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এস.এম. হাফিজুর রহমান।
এছাড়া সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এবং স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগ

Leave a Reply