1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
তারাগঞ্জে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আনন্দ রেলি নারান্দী ইউনিয়নে কৃষি কার্যালয় যেন পরিত্যক্ত, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ কুড়িগ্রামে কৃষকদের সার লুটের ঘটনানথিপত্রে ঘাপলা, ডিলারকে শোকজ মোরেলগঞ্জে বিএনপি-জামায়াতের পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন: বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা ​সারের কৃত্রিম সংকট রোধে তারাগঞ্জে মনিটরিং কমিটির সভা কিশোরগঞ্জে শিক্ষকদের মতবিনিময় সভায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন দুই সংসদ সদস্য ওয়ালটন শোরুমের আড়ালে বিএসটিআই অনুমোদনবিহীন আইসক্রিম কারখানা, ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আশ্বাসের বৃত্তে বন্দী শিক্ষকএমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বঞ্চনা, প্রতিশ্রুতি ও প্রাপ্য অধিকারের দীর্ঘ অপেক্ষা মোরেলগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের জরিপে অনিয়মের অভিযোগ এনে জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন আলফাডাঙ্গায় কামারগ্রাম কাঞ্চন একাডেমীর জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১০ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

​সাজেকে বাঁশের হস্তশিল্পে সচ্ছলতা খুঁজছেন রণজিৎ চাকমা

  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ৩ মে, ২০২৬
  • ২৫ বার পড়েছেন

রূপম চাকমা, বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:

​রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার দুর্গম ৩৬ নম্বর সাজেক ইউনিয়নের মাচালং ১০ নম্বর পাড়ার রণজিৎ চাকমা।
হতদরিদ্র পরিবারের এই সন্তান এখন বাঁশের তৈরি শৈল্পিক হস্তশিল্পের মাধ্যমে নিজের সংসারের হাল ধরেছেন।

​পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু এই সাজেক ভ্যালি এখন শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যই নয়, স্থানীয়দের জীবন-সংগ্রামের অনন্য গল্পের জন্যও পরিচিত হয়ে উঠছে।
রণজিৎ চাকমা দীর্ঘদিন ধরে বাঁশ দিয়ে বিভিন্ন ধরনের হস্তশিল্প তৈরি করছেন।
তার নিপুণ হাতে তৈরি ঝুড়ি, ফুলদানি, ল্যাম্পশেড ও চাবির রিংসহ নানা সামগ্রী পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়।

​প্রতিদিন সকাল থেকেই তিনি সাজেকের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে নিজের তৈরি এসব পণ্য নিয়ে বসেন।
পর্যটকরা তার পণ্যের নান্দনিকতা ও পরিবেশবান্ধব বৈশিষ্ট্যে মুগ্ধ হয়ে তা সংগ্রহ করেন।

​রণজিৎ জানান, আগে তিনি জুম চাষের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতেন, যা দিয়ে সংসার চালানো ছিল অত্যন্ত কষ্টসাধ্য।
পরবর্তীতে নিজের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি বাঁশের হস্তশিল্পের কাজ শুরু করেন। শুরুতে বিক্রি কম হলেও ধীরে ধীরে পর্যটকদের আগ্রহ বাড়তে থাকে।
বর্তমানে এই হস্তশিল্পই তার পরিবারের প্রধান আয়ের উৎস।

​তিনি আরও বলেন, “বাঁশ আমাদের এলাকার সহজলভ্য সম্পদ।
এই কাজ শিখে আমি নিজের পায়ে দাঁড়াতে পেরেছি। আমি চাই, আমার মতো আরও অনেকে এই সৃজনশীল কাজে এগিয়ে আসুক।”

​সাজেক ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নেলসন চাকমা বলেন, রণজিৎ চাকমার মতো পরিশ্রমী মানুষের কারণে পাহাড়ি এলাকায় ক্ষুদ্র উদ্যোগের প্রসার ঘটছে।
এতে একদিকে যেমন বেকারত্ব কমছে, অন্যদিকে স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যও সংরক্ষিত হচ্ছে।

​রণজিৎ চাকমার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য পরিচয় চাকমা বলেন, “এসব পণ্য কেনার মাধ্যমে একজন মানুষের জীবিকার সংস্থান হয়।
সরকারি বা বেসরকারি সহযোগিতা পেলে এই ধরনের ক্ষুদ্র শিল্প আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।”

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর