মো:জোনায়েদ হোসেন জুয়েল
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা কিশোরগঞ্জে এসে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বসিত ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন অ্যাডভোকেট মো. মর্তুজা আল কামাল মুস্তাক। তার আগমনকে কেন্দ্র করে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবের আমেজ।
শনিবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জ শহরের পুরান থানা এলাকার ইসলামিয়া সুপার মার্কেট প্রাঙ্গণে তাকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের শত শত নেতাকর্মী ফুল, করতালি ও স্লোগানে প্রিয় নেতাকে বরণ করে নেন। পুরো অনুষ্ঠানস্থল পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।

এর আগে বিকেলে কটিয়াদী এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয় নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ও ফুলেল শুভেচ্ছার মাধ্যমে তাকে স্বাগত জানান। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে দিনভর ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অ্যাডভোকেট মুস্তাক বলেন, “আমি রাজনীতিকে মানুষের সেবার মাধ্যম হিসেবে দেখি। কিশোরগঞ্জবাসীর যে ভালোবাসা ও বিশ্বাস আমি পেয়েছি, তা আমার জন্য বড় প্রেরণা। আমি চাই মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা নিয়েই রাজনীতি করতে।”
তিনি আরও বলেন, “আমার রাজনৈতিক পথচলায় যারা সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতেও গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার এবং ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাব।”
তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ক্ষমতা নয়, মানুষের ভালোবাসাই একজন রাজনীতিবিদের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই জনগণের পাশে থেকে তাদের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হতে হবে।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কিশোরগঞ্জ পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন। এ সময় জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলেন, কিশোরগঞ্জের একজন কৃতি সন্তান কেন্দ্রীয় যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পাওয়ায় তারা গর্বিত। তার নেতৃত্বে জেলার সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে এবং তৃণমূলের রাজনীতিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
দীর্ঘদিন পর ঘরের ছেলেকে কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে কাছে পেয়ে কিশোরগঞ্জবাসীর মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে। রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও এ নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

Leave a Reply