কে এম শাকীর ,কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের দোলাপাড়া এলাকায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এক যুবক খুন হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে খুনিরা বাড়ী ছেড়ে পালিয়েছে।

জানা গেছে গত সোমবার (১ জুন) বিকালে মাগুড়া দোলাপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে রেজাউল করিম (৪৫) তার ফুফার বাড়ী দোলাপাড়া গড়ের পার এলাকার আমিন উদ্দীনের বাড়ীতে দাওয়াত খেতে যায়। এ সময় পূর্ব শত্রুতার জেরে ওই এলাকার আজহারুল ইসলামের ছেলে রাকীব ইসলাম রাকীব (২৭), আহসান আলীর ছেলে আসাদুজ্জামান বিটু (২৭),ও আখতারুজ্জামান ভজে (২৫),মৃত আফাজ উদ্দিনের ছেলে মিষ্টু মিয়া (৪৫),সবুজ আলীর ছেলে আব্দুল আজিজ (২২) সহ আরো কিছু খুনি সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রসহ রেজাউল করিমের উপর হামলা চালায়। এতে রেজাউল করিমের মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ফেটে গেলে তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসা অবস্থায় তার মৃত্যু হলে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। মৃত্যু রেজাউল করিম মাগুড়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বলে জানা গেছে। বুধবার বিকালে রেজাউল করিমের লাশ রেখে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে ওই এলাকার হাজার হাজার পুরুষ মহিলা।

রেজাউল করিমের খুনিদের গ্রেফতার করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানায় বিক্ষুব্ধরা। পরে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন,মাগুড়া ইউনিয়ন বিএনপির ৬ নং ওয়ার্ড সভাপতি জাহেদুল ইসলাম, সেক্রেটারি এনামুল হক ও সমাজসেবক শাহ্ মুরাদ রুবেল প্রমূখ। বক্তারা ২৪ ঘন্টার মধ্যে খুনীদের গ্রেফতার করার জন্য পুলিশের প্রতি আহবান জানান। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ার দেন তারা। পরে নিহত রেজাউল করিমের জানাযা পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মাগুড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান মিঠু,সাবেক চেয়ারম্যান মাহামুদুল হোসেন শিহাব। জানাযা শেষে নিহত রেজাউল করিমের লাশ তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ লুৎফর রহমান বলেন,ঘটনার দিন একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং ১/২৬। মামলার আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Leave a Reply