1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পোনা এম.এ খালেক মহাবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম এম.এ খালেকের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত আলফাডাঙ্গায় ১০ পিস ইয়াবাসহ মাদকবিক্রেতা গ্রেফতার, আদালতে সোপর্দ কিশোরগঞ্জে দুই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ নীলফামারীতে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু মোহাম্মদপুরে কৃষি প্রনোদনা বিতরণ নিজ মাতৃভূমিতেই আমরা কেন নিরাপদ নই?নিরাপত্তাহীনতার বেদনায় রাষ্ট্র, সমাজ ও নাগরিকের আত্মজিজ্ঞাসা রাণীনগর ইয়ুথ অর্গানাইজেশনের ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত কাশিয়ানীতে ‘স্বপ্নছোঁয়া’ ফ্যাশন হাউজে আলফাডাঙ্গা’র গণমাধ্যমকর্মীদের আড্ডা ও কেনাকাটা এম.এ খালেক মহাবিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন সরদার মোঃ নুরুজ্জামান মোরেলগঞ্জে আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০২৬ অনুষ্ঠিত

বাঘাইছড়ি বঙ্গলতলিতে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছেন রত্নবোধি নামে এক বৌদ্ধ ভিক্ষু

  • প্রকাশিত সময় : শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২১৫ বার পড়েছেন

রুপম চাকমা বাঘাইছড়ি / রাঙ্গামাটি

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার ৩৫নং বঙ্গলতলি ইউনিয়নের জারুলছড়ি প্রত্যন্ত অঞ্চলে নীরবে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছেন রত্নবোধি নামে এক বৌদ্ধ ভিক্ষু!

দুর্গম পাহাড়ি এলাকার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য তিনি গড়ে তুলেছেন একটি ছোট শিক্ষা কেন্দ্র যার নাম হচ্ছে জ্ঞানর বারেং নামে পরিচিত!

যেখানে প্রতিদিন পড়াশোনা করছে স্থানীয় দরিদ্র পরিবারের অসংখ্য শিক্ষার্থী।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় শিক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতি দেখে উদ্বিগ্ন হয়ে নিজ উদ্যোগে এই কার্যক্রম শুরু করেন রত্নবোধি ভান্তে।

শুরুতে কয়েকজন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে সেখানে নিয়মিতভাবে কয়েক ডজন শিশু প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করছে।

শিক্ষা কেন্দ্রটিতে শুধু পাঠ্যবইয়ের পড়াশোনাই নয়, নৈতিক শিক্ষা, শৃঙ্খলা এবং মানবিক মূল্যবোধের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই, খাতা ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হচ্ছে, যা তাদের স্কুলমুখী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, পাহাড়ি দুর্গমতার কারণে অনেক শিশুই আগে বিদ্যালয়ে যেতে পারত না। ভিক্ষু রত্নবোধির উদ্যোগে এখন তাদের সন্তানরা শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে, যা তাদের ভবিষ্যতের জন্য আশার আলো হয়ে উঠেছে।

ভিক্ষু রত্নবোধি বলেন, “শিক্ষাই মানুষের জীবনের প্রকৃত আলো। আমি চাই এই এলাকার শিশুরা অশিক্ষার অন্ধকার থেকে বের হয়ে সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ুক।”
স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন মহল তার এই উদ্যোগকে প্রশংসা করেছে এবং এই ধরনের মানবিক কার্যক্রমে আরও সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে।

প্রত্যন্ত বাঘাইছড়িতে ভিক্ষু রত্নবোধির এই উদ্যোগ প্রমাণ করে, একক প্রচেষ্টাও সমাজে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর