1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
এম.এ খালেক মহাবিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন সরদার মোঃ নুরুজ্জামান মোরেলগঞ্জে আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০২৬ অনুষ্ঠিত কাশিয়ানীর মহেশপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই যুবকের মৃত্যু। মহাম্মদপুর বিএনপি’র একাংশের বিভিন্ন দপ্তরের চাঁদাবাজির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ। মানুষ শ্রেষ্ঠ জীব—তবু কখনো কেন পশুকেও হার মানায়? দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটের ট্রেনের যাত্রাবিরতি; উচ্ছ্বসিত মহেশপুর-কাশিয়ানীর মানুষ কুড়িগ্রামে ৪টি বিদ্যালয়ে ফল বিপর্যয়, সবাই ফেল কুড়িগ্রামের উলিপুরে স্ত্রীর যৌতুকের মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার পুলিশের বিশেষ অভিযানে মোরেলগঞ্জে ১০ জান গ্রেপ্তার দিনমজুর বাবার সাথে কৃষি জমিতে হাড়ভাঙ্গা খাটুনি খেটেজিপিএ-৫ পেল কুড়িগ্রামের পলাশ চন্দ্র রায়

কুড়িগ্রাম শিলাবৃষ্টিতে প্রায়৮১৫ লক্ষ টাকার ক্ষতিতে চাষীরা

  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৬ বার পড়েছেন

হুমায়ুন কবির সূর্য, কুড়িগ্রাম: ০৫-০৪-২০২৬

কুড়িগ্রামে তিস্তার চরাঞ্চলে বাম্পার ফলন হয়েছে মরিচসহ অন্যান্য ফসলের। তবে শিলা ও অতিবৃষ্টির কারণে জেলায় ৩ হাজার ৫৬৩জন কৃষকের ৮১৪ লক্ষ ৬৬২ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ। এরমধ্যে অধিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ভুট্টা, চিনা, শাকসবজি, মরিচ ও কালোজিরা। তবে শিলা ও বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত মরিচ বাজারে বিক্রি করতে গিয়ে ভাল দাম পাচ্ছে না চাষীরা। এরফলে ফসলের খরচ ওঠাতে হিমসিম অবস্থা চাষীদের। জানা গেছে, কুড়িগ্রাম জেলায় ব্রহ্মপূত্র, ধরলা ও তিস্তার চরাঞ্চলে এবারে ব্যাপকহারে শাকসবজি চাষ করা হয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এবার জেলার ব্রহ্মপূত্র, ধরলা ও তিস্তা নদীর চরাঞ্চলে ২৮ হাজার ৫২৮ হেক্টর জমিতে ভুট্টা, চিনা, সূর্যমূখী, শাক-সবজি, মরিচ ও কালোজিরা চাষ করা হয়েছে। অতিবৃষ্টি ও শিলাঝড়ের কারণে ৫১৭ দশমিক ৫ হেক্টর জমি আক্রান্ত হয়। এতে সম্পূর্ণ ক্ষতি হয় ২৯৬ হেক্টর ফসল। এতে ৩ হাজার ২২ দশমিক ৮২ মেট্রিক টন ফসল উৎপাদনে ক্ষতি হয়েছে। এতে ৩ হাজার ৫৬৩জন কৃষকের ৮১৪ লক্ষ ৬৬২ হাজার টাকার ক্ষতি সাধিত হয়।
সরজমিনে জেলার রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়ন দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর বিভিন্ন চরাঞ্চলে ঘুরে দেখা যায়, এক সময় থৈ-থৈ পানিতে ভরপুর তিস্তা নদীর শুকিয়ে যাওয়া বুক চিড়ে জেগে ওঠা চরাঞ্চলে শোভা পাচ্ছে সবুজের সমারোহ। বাদাম, চিনা, তিল, তিশি, পিঁয়াজ, রসুন আর সবুজ মরিচের ক্ষেতে চারদিকটা যেন সবুজ চাদরে ঢাকা পরেছে।


চর গতিয়াসামের মৃত: তমিজ উদ্দিনের ছেলে চাষী আব্দুল আজিজ (৭০) জানান, প্রায় ১২ হাজার টাকা খরচ করে ৯ শতক জমিতে মরিচ চাষ করেছি। এখনো খরচ ওঠাতে পারিনি। এরমধ্যে শিলা ও অতিবৃষ্টির কারণে মরিচ ক্ষেতের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দেখছেন না কতগুলা মরিচের ডাল পচে হলুদ হয়েছে।
আব্দুল আজিজের স্ত্রী আনোয়ার বেগম (৫৫) বলেন, দুই মেয়ে আর এক ছেলে নিয়ে আমাদের সংসার। ভাবছি এবার মরিচ বিক্রি করে লাভের টাকায় অনেক কিছু করবো। আজ বাজারে মরিচের দাম উঠেছে মাত্র ৬শ’ টাকা। দাম না উঠলে আমরা লোকসানে পরবো।
কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, এবারে ১ হাজার ৩১৫ হেক্টর মরিচ চাষাবাদ হয়েছে। শুরুতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষকরা ৮২০ হেক্টর মরিচ উত্তোলন করে ভাল দাম পান। কিন্তু মাঝখানে অতিবৃষ্টির ও শিলার কারণে গাছের ক্ষতি হয়। ফলে কৃষকরা একসাথে মরিচ উত্তোলন করে বাজারে নিয়ে যাওয়ার পর হঠাৎ করেই মরিচের দরপতন ঘটে। এরফলে অনেক কৃষক দেরীতে মরিচ উত্তোলন করায় ক্ষতির মুখে পরে।
এ ব্যাপারে রাজারহাট উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুন নাজার সাথী জানান, তিস্তার চরাঞ্চলে মরিচ, পিঁয়াজ, বাদামসহ অন্যান্য ফসলের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। তবে যে পরিমাণ ফলন হয়েছে আমরা কৃষিবিভাগ মনে করছি তাতে কৃষকরা তাদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সক্ষম হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর