মোঃরফিকুল ইসলাম মিঠু ঢাকা।।
রাজধানীর উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৪৭ নং ওয়ার্ডে আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে একক ভাবে দলীয় ও সাধারণ ভোটারদের বিবেচনায় এগিয়ে আছেন সাধারণ মানুষের জনপ্রিয় নেতা হেলাল তালুকদার। অতীতে তিনি ১নং ওয়ার্ড থেকেও কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছিলেন।বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২০ সালের নির্বাচনে ৪৭ নং ওয়ার্ড থেকে তিনি অংশগ্রহণ করে বিপুল জনসমর্থন পেলেও তৎকালীন ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী সরকার ভোট কারচুপির ‘করে জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ সাধারণ ভোটারদের। তবে জয় না পেলে ও মানুষের সেবা ও অধিকার আদায়ের সংগ্রামে অবিচল থাকায় তিনি এলাকায় ‘জনতার কাউন্সিলর’ হিসেবেই পরিচিতি লাভ করেছেন।

দীর্ঘ ১৭ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান এবং ৫ ই আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পর এলাকার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এখন আগের তুলনায় ভিন্ন ধারার। দক্ষিনখান থানা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা হেলাল তালুকদার রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি একজন স্বচ্ছ ইমেজের নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রুজু থাকলেও তাকে দমাতে পারেননি ফ্যাসিস্ট সরকার। যদিও দু এক জনের মুখে তাকে নিয়ে কিশোর গ্যাং আশ্রয়দাতা বলে অভিযোগ পেলেও এ-র কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি। বরং হারুন নামে জনৈক রিকশা চালক বলেন ওনারমত ভালো মানুষ আর একটা দেখিনি । আমার নিরীহ সন্তান জয় কে মিজানের গ্যারেজ এলাকার বাবুর্চির সন্তান হত্যা মামলায় ফঁাসানোর চেষ্টা করেন তদন্তকারী এসআই । বিষয়টি নিয়ে আমি হেলাল তলুকদারের শরণাপন্ন হলে তিনি সাথে সাথে আমার কাছ থেকে আইয়ুর নাম্বার নিয়ে তাকে ফোন করে বলেন আসলে কি ছেলেটা দোষী কিনা? উত্তরে পুলিশ জানান সন্দেহের বশবর্তী হয়ে তাকে ফোন দিয়েছি।তৎক্ষণাথ হেলাল তালুকদার পুলিশকে বলেন নিরীহ লোককে কোনভাবে হয়রানি করা যাবে না। হেলাল তালুকদার কে নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, হেলাল তালুকদারের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বা দখলবাজির অভিযোগ নেই, যা বর্তমান সময়ের রাজনীতিতে এক বিরল দৃষ্টান্ত। তবে তিনি একজন ব্যবসায়ী। হেলাল উদ্দিন তালুকদার দক্ষিণখান ফায়দাবাদ এলাকায় সামাজিক কর্মকাণ্ডের সাথেও জড়িত।
এলাকার সচেতন নাগরিকরা বলছেন, ৪৭ নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও মাদকমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে একজন সৎ ও সাহসী জনপ্রতিনিধির প্রয়োজন। তারা। হেলাল তালুকদারের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ এবং মানুষের প্রতি তার দায়বদ্ধতা তাকে অন্য প্রার্থীদের চেয়ে অনেক এগিয়ে রেখেছে।

এ বিষয়ে হেলাল তালুকদার বলেন, “আমি বরাবরই জনগণের পাশে ছিলাম এবং থাকবো। বিগত দিনে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু এখন সময় এসেছে জনগণের শাসন কায়েম করার। ৪৭ নং ওয়ার্ডের মানুষ যদি আমাকে তাদের সেবা করার সুযোগ দেয়, তবে আমি এই ওয়ার্ডকে একটি আদর্শ ও চাঁদাবাজমুক্ত এলাকা হিসেবে উপহার দেব।”
ভোটারদের প্রত্যাশা, যোগ্য নেতৃত্ব ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কারণে এবার ৪৭ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর হিসেবে হেলাল তালুকদারের জয় এখন সময়ের দাবি।
Leave a Reply