মোঃরফিকুল ইসলাম মিঠু ঢাকা।।
উত্তরা ১নং সেক্টরের সুয়ারেজ লাইন বা ড্রেনেজ ব্যবস্থা সাধারণত সেক্টরটির বিভিন্ন রাস্তা ও ব্লক থেকে শুরু হয়ে প্রধান রাস্তার ড্রেনের সাথে যুক্ত হয়। ঢাকা ওয়াসা এবং রাজউকের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই এলাকার ঘরবাড়ির বর্জ্য পানি পয়ঃনিষ্কাশন লাইনের মাধ্যমে মূল ড্রেনে এসে পড়ে। কিন্তু বেশ কিছু দিন যাবত উত্তরা ক্লাব ও উত্তরা লেডিস ক্লাবের পাশ দিয়ে পিচ ঢালা রাস্তা কেটে বড় আকারে শুয়ারেজের লাইনের যে ব্যবস্থা করা হচ্ছে তাতে করে রাস্তায় একের পর এক জ্যাম লেগে থাকলেও এক নং সেক্টর বাসি এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানায়। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হচ্ছে কাজের নিম্নমান,নিম্নমানের ইটা বালি ও সিমেন্টের যথাযথ প্রয়োগ না দেখে সেক্টরের বাসিন্দারা প্রায় বিস্মিত হচ্ছে। খোয়া ও গাঁথুনির কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে ২ নাম্বার ইট,আস্তরের মোটা বালুর পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে ভিটি বালু। যাহা কোনভাবেই মেনে নেওয়ার মতো নয় এমন বক্তব্য পথচারীদের। সেক্টরের অনেক বাসিন্দারা অভিযোগ করেন যথাযথ নির্মাণ সামগ্রী ছাড়া এ ধরনের কাজ কতদিনই বা টেকসই হতে পারে।

নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রীর কারণে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই এই শুয়ারেজ ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। অনেক লোককে বলতেও শোনা যায় এই ধরনের গাফিলতির জন্য ডিএনসিসি দায়ী। রাস্তা কাটার কোন অনুমতি পত্রও দেখাতে পারেনি দায়িত্বরত লোকজন। প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনের জন্য ডিএনসিসির পক্ষ থেকে একজন সহকারি প্রকৌশলীকে দায়িত্ব দেওয়া থাকলেও তিনি ঠিকমত প্রকল্পগুলো পরিদর্শন করেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। ডিএনসিসির প্রকল্প পরিদর্শক প্রকৌশলী মেরিন চাকমাকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এই মেরিন চাকমা দীর্ঘদিন যাবত ডিএনসিসির উত্তরা অফিসে চাকরি করে যাচ্ছেন কিন্তু তার অবহেলার কারণে জনগণ ভোগান্তির শিকার হোক এটা কোনভাবেই কাম্য নয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএনসিসির একজন অফিস সহায়ক বলেন মেরিন চাকমা পরিদর্শন বাদ দিয়ে বাসায় গিয়ে ঘুমিয়ে থাকেন। একাধিকবার কাজ পরিদর্শনে গিয়েও তার দেখা মিলেনি একবারও। ডিএনসিসির অনেকেই বলতে শোনা যায় দীর্ঘদিন একই জায়গায় কাজ করতে করতে মানুষের ভিতরে একঘেয়েমি চলে আসে তারই ব্যতিক্রম নয় মেরিন চাকমা। জনগণের টাকায় জনগণকে সেবা দিতে গিয়ে কিছু লোক ফায়দা লুটবে সেটা তো হতে দেওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেন ১ নং সেক্টর কল্যাণ সমিতির জনৈক ব্যক্তি। কাজের গুণগত মান নিয়ে মুঠোফোনে সাব কন্টাকটার আলামিনের সাথে কথা হলে তিনি উক্ত প্রতিবেদককে বলেন এখন ব্যস্ত আছি কথা বলতে পারব না। এই আলামিন হচ্ছে ফ্যাসিস্ট সরকারের আশীর্বাদ পুষ্ট ঠিকাদার বলে জানাযায়। কেননা সেক্টরগুলোতে বিভিন্ন কাজের দরপত্র গুলো বিগত সরকারের আমলেই হয়েছিল। রহমান নামের এক গাড়িচালক বলেন কাগজে-কলমে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হলেও এখনো তাদের দোসররা আনাছে কানাচে বহাল তবিয়তেই মাল কামাইতেছে। আলামিন এর মত লোকদেরকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য সিটি কর্পোরেশনে রয়েছে একটি বিরাট বড় আওয়ামী সিন্ডিকেট। তাদের রূখবে কে?

Leave a Reply