1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মোরেলগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের জরিপে অনিয়মের অভিযোগ এনে জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন আলফাডাঙ্গায় কামারগ্রাম কাঞ্চন একাডেমীর জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১০ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত অনিকেত আলাম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৪শ পরিবারে লিচুর চারা বিতরণ বকেয়া বাসা ভাড়া রেখেই লাপাত্তা উপজেলা প্রকৌশলী ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কে ঝরলো একটি তাজা প্রাণ মোড়েলগঞ্জে উপকূলবাসীর সুপেয় পানির অধিকার নিশ্চিতে নাগরিক সমাবেশ ও পদযাত্রা মানুষের ভিড়ে মানুষ কোথায়?মানবিকতার সংকট ও বিবেকের নীরবতার গল্প কলকাতার আগুনে নিভে গেল ৭ বাংলাদেশির প্রাণ, বেনাপোলে ফিরল ৫ মরদেহ—স্বজনদের আহাজারিতে ভারী সীমান্ত পিপলাকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ: শিক্ষার পরিবেশ রক্ষায় নিরপেক্ষ তদন্তের বিকল্প নেই কুড়িগ্রামে ডোবা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

পাহাড়ে তিন দিনের বিজু উৎসব সম্পন্ন

  • প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৮ বার পড়েছেন

রুপম চাকমা বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি।

পাহাড়ি জনপদে বর্ণাঢ্য আয়োজনে তিন দিনব্যাপী বিজু উৎসব আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়ি আদিবাসিদের অন্যতম প্রধান এই উৎসবটি ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হয়।

১২ এপ্রিল ২০২৬ উৎসবের প্রথম দিন ‘ফুল বিজু’ দিয়ে শুরু হয় এই আয়োজন।

এদিন ভোরে পাহাড়ি তরুণ-তরুণীরা নদী ও ছড়ার পানি দিয়ে ফুল সংগ্রহ করে ঘরবাড়ি সাজায় এবং প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

১৩ এপ্রিল দ্বিতীয় দিন ‘মূল বিজু’তে ছিল নানা ধরনের ঐতিহ্যবাহী খাবারের প্রস্তুত, যার মধ্যে পাজন রান্না বিশেষ আকর্ষণ ছিল। আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের মধ্যে এসব খাবার বিনিময়ের মধ্য দিয়ে উৎসবের আনন্দ আরও বেড়ে ওঠে।

১৪ এপ্রিল শেষ দিন ‘গোজ্যেপোজ্যে দিন’ উপলক্ষে আয়োজিত হয় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নৃত্য ও গান। স্থানীয় শিল্পীরা ঐতিহ্যবাহী পোশাক পিনোন কাদি পরিবেশন করেন পাহাড়ি নৃত্য, যা দর্শকদের মুগ্ধ করে। পাশাপাশি তরুণদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় খেলাধুলা ও নানা প্রতিযোগিতা।

উৎসব উপলক্ষে পাহাড়ি এলাকায় পর্যটকদের ভিড়ও ছিল চোখে পড়ার মতো। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে নেওয়া হয় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যাতে নির্বিঘ্নে উৎসব উদযাপন করা যায়।

দিঘীনালা উপজেলার ৩নং কবাখালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলেস চাকমা জানান, বিজু উৎসব কেবল আনন্দের নয়, বরং এটি পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ঐক্যের প্রতীক। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ উৎসব আরও বৃহৎ পরিসরে উদযাপিত হবে এবং পাহাড়ের সংস্কৃতি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়বে।
তিন দিনের এই আয়োজন শেষে নতুন বছরের প্রত্যাশা নিয়ে পাহাড়ি জনপদে নেমে এসেছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা, তবে উৎসবের স্মৃতি রয়ে গেছে সবার হৃদয়ে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর