কে এম শাকীর,নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার উত্তর বড়ভিটা চন্দনপাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মাসুমা বেগমের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার।
জানা গেছে, চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারী কয়েকটি স্থানীয় ও অনলাইন পত্রিকায় প্রধান শিক্ষকের লাগামহীন দূর্নীতি ও অনিয়মের সংবাদ প্রকাশ করা হয়। সংবাদটি উপজেলা শিক্ষা অফিসার ড.মোসাঃ মাহমুদা বেগমের নজরে আসলে তিনি উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসারকে সংবাদের ভিত্তিতে তদন্ত করার নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশ মোতাবেক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ২১ ফেব্রুয়ারী সরেজমিনে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গত ২৩ মার্চ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত ভাবে তদন্ত রিপোর্ট পেশ করেন। সেই রিপোর্টের আলোকে গত ২৪ মার্চ ওই প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মাসুমা বেগমের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসার উশিঅ/কিশোর/নীল/২৩৭ নং স্মারকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে সুপারিশ করেন। তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর ৩১ মার্চ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জেপ্রাশিঅ/নীল/২০২৬/৩৬৯ নং স্মারকে ওই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। প্রধান শিক্ষক মাসুমা বেগম শোকজের জবাব দিলেও সেই জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ওই অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মাসুমা বেগমের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করে তার শুনানির জন্য স্ব-শরীরে হাজির হওয়ার জন্য জেপ্রাশিঅ/নীল/২০২৬/৫৪৪ নং স্মারকে ১০ দিনের আবার নোটিশ প্রদান করা হয়।

জেলা শিক্ষা অফিসারের ওই চিঠিতে তার অনিয়মের কথা উল্লেখ করে বলা হয় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল ) বিধিমালা, ২০১৮ এর ৩ (খ) ও ৩(ঘ) ধারা অনুযায়ী অভিযুক্ত করে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হলো। কেন আপনাকে একই বিধিমালার বিধি ৪ এর ৩ উপবিধির (ঘ)ধারা অনুযায়ী চাকুরী হতে দরখাস্ত করা হবে না অথবা অন্য কোন যথোপযুক্ত দন্ড আরোপ করা হবে না তার সন্তোষজনক জবাব পত্র প্রাপ্তির ১০ কার্য দিবসের মধ্যে এ কার্যালয়ে দাখিল করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।
এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) রবিউল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে

Leave a Reply