1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে – মাওলানা আন্তাজুল ইসলাম সাংবাদিক নেতা আবু জাফর সূর্য গ্রেফতার চিলমারীতে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামের রৌমারীতে স্কুল ঘেঁষে ইট ভাটা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা চুরির প্রতিবাদ করায় ঘেরে বিষ ঢেলে ৪ লাখ টাকার মাছ নিধন: আলফাডাঙ্গায় প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে অভিযোগ বগুড়ার নন্দীগ্রামে ‘ক্লিন ইমেজ’ ও শহীদ জিয়ার আদর্শের বিশ্বস্ত সৈনিক মতিউর রহমান মুসা শার্শায় ভিক্ষুক পুনর্বাসনে দুই প্রতিবন্ধীকে ভ্যান প্রদান: ‘আর ভিক্ষা নয়, এবার খেটে খাব’ কুড়িগ্রামে সেবাপ্রদানকারী সংস্থা ও সেবাগ্রহীতা নারীদের সাথে সংলাপ অনুষ্ঠিত ২০ বছরেও বদলায়নি সড়কের চিত্র, কাদা-গর্তে বন্দি ১০ হাজার মানুষের জীবন! পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাস ও দেশকে অস্থিতিশীল এবং ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে শার্শার বাগআঁচড়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত

​কুড়িগ্রামে ১৭ বছর ধরে বিধ্বস্ত ব্রিজ: নজর নেই প্রশাসনের, ভোগান্তিতে কয়েক হাজার মানুষ

  • প্রকাশিত সময় : সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ১৭৪ বার পড়েছেন

হুমায়ুন কবির সূর্য, কুড়িগ্রাম

কুড়িগ্রাম: দীর্ঘ ১৭ বছর পেরিয়ে গেলেও সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের জামতলাপাড় থেকে কচুয়ারপাড়-মাদাইখাল সংযোগ সড়কের ডুবুরীরখাল ব্রিজটি। সরকারি উদাসীনতায় দুই পাড়ের কয়েক হাজার মানুষের নিত্যদিনের যাতায়াত এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। গ্রামবাসী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে ভাঙা ব্রিজের ওপর কাঠের পাটাতন বসিয়ে সাময়িকভাবে চলাচলের ব্যবস্থা করা হলেও, বর্তমানে সেটিও সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ। ফলে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

​ইতিহাস ও বর্তমান অবস্থা

​জানা গেছে, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে একই স্থানে পরপর দুটি ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু স্বল্প বাজেট ও নিম্নমানের কাজের কারণে নির্মাণের দুই থেকে তিন বছরের মধ্যেই ব্রিজ দুটি বন্যার তীব্র স্রোতে দেবে যায়। সর্বশেষ ২০০৬ সালে নির্মিত ব্রিজটি ২০০৮ সালের বন্যায় বিধ্বস্ত হয়। এরপর দীর্ঘ ১৭ বছর অতিবাহিত হলেও নতুন কোনো ব্রিজ নির্মিত হয়নি।

​জনদুর্ভোগের চিত্র

​বর্তমানে জরাজীর্ণ এই ব্রিজ দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হাসেম আলী জানান, “ব্রিজটি দিয়ে আমরা ঠিকমতো হাঁটতেও পারি না। অসুস্থ রোগী বা গর্ভবতী নারীকে হাসপাতালে নিতে হলে কয়েক কিলোমিটার ভাঙা রাস্তা পাড়ি দিতে হয়। ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের পাটাতনের ওপর দিয়ে অটো বা ভ্যান চলাচল করতে পারে না, ফলে কৃষিপণ্য ও সার পরিবহনে আমাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।”

​কৃষক রমেশ চন্দ্র আক্ষেপ করে বলেন, “বন্যার সময় কাঠের পাটাতনটি অত্যন্ত ভয়ংকর অবস্থায় থাকে। শিক্ষার্থীরা স্কুলে যেতে ভয় পায়। এখানে একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ করা আমাদের প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়েছে।”

​কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

​ভিতরবন্দ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিউল আলম শফি জানান, ২০০৬ সালে ব্রিজটি নির্মিত হলেও নিম্নমানের কাজের কারণে তা বন্যায় ভেঙে পড়ে। বর্তমানে এই জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে একটি শক্তিশালী গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের প্রস্তাবনা তুলে ধরেছেন তিনি।

​স্থানীয়দের দাবি

​জামতলা ও কচুয়ারপাড় এলাকার হাজার হাজার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল করতে অনতিবিলম্বে এখানে একটি টেকসই ব্রিজ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর