কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: ০৭-০৫-২০২৬
লিংক: ঘর আলো করে এসেছিল ছোট্ট শিশু ফাহিম। তার আগমনে পুরো বাড়িটাই যেন আলোর রোশনাইয়ে ভরপুর হয়ে উঠেছিল। হাসি আনন্দ ভরা পরিবারটির সুখ বেশিদিন যেন স্থায়ী হলো না। হঠাৎ করেই বিষাদে পরিণত হল সব রোশনাই। মরণব্যাধী বøাড ক্যান্সার তার রক্তে ছড়িয়ে পরেছিল। এ যেন মাথায় বজ্রপাতের মতো ঘটনা। গরীব খেটে খাওয়া পরিবারে রাজ অসুখ তাসের ঘরের মত সবকিছু তছনছ করে দিল। চিকিৎসার অর্থ জোগেতে বাড়িঘর দোকানপাট সব হারাতে বসেছে পরিবারটি। ইতোমধ্যে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়েছে। এখন ৫/৬ লক্ষ টাকা সংগ্রহ করতে পারলেই চিকিৎসার কোর্স সম্পন্ন হয়ে যাবে। তাতে আর দশটা শিশুর মত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারবে ফাহিম নামের ছোট্ট শিশুটি। হুমায়ুন কবির সূর্য’র পাঠানো তথ্য ও চিত্রে ডেক্স রিপোর্ট।
………………………………………আপস…………………………………..

জানা গেছে, কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়নের তালুক আষারু গ্রামের মোবাইল মেকার মিজানুর রহমান ও গৃহবধূ ফেন্সি আক্তারের ৫ বছরের সন্তান ফাহিম আহমেদ। প্রায় এক বছর পূর্বে পিজি হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সন্তানের শরীরে প্রথম বøাড ক্যান্সারের আলামত সনাক্ত হয়। পরিবারের একমাত্র সন্তানকে বাঁচাতে মিজানুর রহমান রাজারহাট বাজারে অবস্থিত তার মোবাইল দোকানের পজেশনসহ মালপত্র বিক্রি করে দেয়। এরপর এনজিও থেকে ৫ লক্ষ টাকা ঋণ এবং বাড়িভিটা ব্যাংকে মর্টগেজ রেখে ৬ লাখ টাকা নিয়ে সন্তানের চিকিৎসার পিছনে ব্যয় করা হয়। এতে পরিবারটি নি:স্ব হয়ে গেলেও ছোট্ট ফাহিমকে বাঁচাতে তারা সব রকম চেষ্টাই করে। এসময় পাশে দাঁড়ান কিছু সহ্নদয়বান ব্যক্তি। বর্তমানে ফাহিম সুস্থ্য রয়েছে। এখন তার চিকিৎসা চলমান রাখতে দরকার আরও ৫/৬ লাখ টাকা। নি:স্ব এই পরিবারের দেয়ার মত আর কোন অর্থই নেই। ফলে অসহায় অভিভাবকরা পরিবারের একমাত্র শিশু সন্তানকে বাঁচাতে আঁকুতি জানাচ্ছেন।
ভক্সপপ(১): ফাহিমের দাদা আব্বাছ আলী

কলিজার টুকরা নাতির জন্য বুকটা ফেঁটে যাচ্ছে দামি মমতাজ বেগমের। ফাহিমের শেষ চিকিৎসার জন্য সবার কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
ভক্সপপ(২): ফাহিমের দাদি মমতাজ বেগম
অন্য বাচ্চারা খেলাধূলা করতে যায়, স্কুলে যায় আমার সন্তান আমাকে প্রশ্ন করে আমি কখন খেলাধূলা করতে যাবো। আর কবে স্কুলে যাবো। সন্তানের কথায় আমার বুকটা ফঁটে যায়। আমরা সবকিছু বিক্রি করে শেষ করে দিয়েছি। এখন আমার বাচ্চাটার চিকিৎসা হবে কিভাবে!
ভক্সপপ(৩): ফাহিমের মা ফেন্সি আক্তার
এখন আমার ছেলেটা অনেকটা সুস্থ্যতার দিকে। আরও দেড় বছর তাকে কেমোসহ চিকিৎসাধীনে রাখা হলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। এখনো তার চিকিৎসার জন্য প্রায় ৫/৬ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। আমাদের এখন বিক্রি করার মত এক টুকরো সুতোও নেই। এখন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা দেশ বিদেশের ভাইয়েরা পারেন আমার সন্তানকে বাঁচাতে সহযোগিতার হাত বাড়াতে।
ভক্সপপ(৪): ফাহিমের বাবা মিজানুর রহমান
সহায়তার জন্য বিকাশ/নগদ নম্বর: ০১৭৬৭২৮০০১১ (মিজানুর রহমান)।

Leave a Reply