1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কিশোরগঞ্জ জেলা মোটরযান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হাবিবুর রহমানের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নীলফামারীতে বেপরোয়া প্রধান শিক্ষিকা,সরকারী নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী মিরুখালী স্কুল অ্যান্ড কলেজে এইচএসসি-২৬ পরীক্ষার্থীদের দোয়া ও শুভকামনা অনুষ্ঠান মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করায় আলফাডাঙ্গায় যুবককে কুপিয়ে জখম মোরেলগঞ্জে শিক্ষা উন্নয়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জে সিসিডিবি’র উদ্যোগে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে শোভাযাত্রা সাতক্ষীরার পারুলিয়ায় তাজিয়া মিছিল ও র‌্যালী কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির কাছে ৫৩ কেজিভারতীয় গাঁজা জব্দ কুড়িগ্রামে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সাথে সংলাপ অনুষ্ঠিত

এক অদৃশ্য লাশ,১৪ বছর দাদীর কান্না—আমার শিশুমনে খোদাই হয়ে থাকা একাত্তর

  • প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
  • ৮৩ বার পড়েছেন

মোঃ রোকনুজ্জামান শরীফ

১৯৭১—বাংলার ইতিহাসে রক্ত–অগ্নিতে লিখিত এক বিশ্বাসঘাতকতার বছর, আবার মুক্তি ও মর্যাদার মহান সূচনাও বটে। সেই বছরের দিন–তারিখ আজ ঠিক মনে নেই, কিন্তু অগ্নিঝরা মার্চের অস্থির পদধ্বনি, যুদ্ধ বিমানের মহড়া,গোলার শব্দ, মানুষের দুচোখে আতঙ্ক, আর রাতের আকাশে জ্বলন্ত ঘরবাড়ির আগুন—সবকিছু আজও আমার শিশুমনের কোণে জীবন্ত হয়ে আছে। বয়স তখন চার বা পাঁচ । যে বয়সে শিশুদের কোলাহল, খেলা আর স্বপ্নের জগতে থাকার কথা—সে বয়সে আমি দেখে ফেলেছিলাম যুদ্ধ নামক বিভীষিকার সবচেয়ে নির্মম মুখ।

শৈশবের সেই স্মৃতিগুলো আজও যেন বুকের ভেতর গুমরে ওঠে। মৃত্যুভয়, ক্ষুধা, অনিশ্চয়তা, আবার এর মাঝেই মানুষের অবিশ্বাস্য দয়া ও সাহস—এই দুই বিপরীত অনুভূতি মিশে আছে আমার স্মৃতির সোনালি–অন্ধকার পাতায়।

১.বাবাকে না পাওয়ার সেই রাত—অন্ধকারে জমে থাকা আতঙ্কঃ
আমার পুলিশ কর্মকর্তা বাবা ও দুই কাকা তখন বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য। সারা বছর তাঁদের বদলি আর দায়িত্ব পালনের ব্যস্ততা। একাত্তরের উত্তাল দিনগুলোতে আমরা ছিলাম বৃহত্তর ফরিদপুর জেলার কাশিয়ানি থানায়।থানা কম্পাউন্ডের মধ্যে বড় পুকুর সান বাঁধানো ঘাটের পাড়ে আমাদের বাসা।—ঘনঘন স্থানান্তরের কারণে কোনটিই শিশু মনে পরিষ্কার নেই।সদ্য ভূমিষ্ট সহোদর ছাড়াও দুই বছরের একশিশু সহোদর উভয়ে মায়ের দুগ্ধ নির্ভর।
দাদী ও মেঝ কাকা আমাদের বাসায় বেড়াতে এসেছেন।
বাবা রীতিমতো অফিস করতেন। এক ভয়াবহ রাত। হঠাৎ খবর এল—বাবাকে পাওয়া যাচ্ছে না! সন্ধ্যা নামতেই থানার চারপাশে অদ্ভুত গুঞ্জন: পাকবাহিনী নাকি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে। অফিসারদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে। মা,দাদী,কাকা—সবার চোখে শুধু আতঙ্কের ছায়া।

দাদীর কণ্ঠ ছিন্ন হয়ে চিৎকার করে উঠল—
“হায় আল্লাহ, আমার ছেলেটারে কই নিল রে!”

ছোট ছিলাম, যুদ্ধ বুঝতাম না, কিন্তু মানুষের মুখের ভয় আর কান্নার ভাষা বুঝতাম। সেই কান্নার চাপা শব্দ আজও কানে বাজে।

ভোরের আগমুহূর্তে দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ। মা দৌড়ে গিয়ে দরজা খুললেন—বাবা! মাটির মত ক্লান্ত, ধুলিধূসরিত, কিন্তু বেঁচে আছেন। তাঁর ফিরে আসার মুহূর্তে দাদীর মুখে যে অবিশ্বাস্য স্বস্তি, আজও মনে হলে বুক কেঁপে ওঠে। বাবা জানালেন—তাণ্ডব থেকে বাঁচতে তাঁকে লুকিয়ে থাকতে হয়েছিল। কিন্তু বিপদ তো শেষ হয়নি বরং সামনে আরো ভয়,আরো দৌড়ঝাঁপ।

২.বাসা ছাড়ার সিদ্ধান্ত—নৌকা ভরা পরিবারঃ
পরের দিনই সিদ্ধান্ত হলো—থানায় থাকা আর নিরাপদ নয়। চারদিকে আগুন, নির্বিচারে হত্যার খবর, রাজাকারদের তল্লাশি।ঐ সময় সড়কপথে গাড়ীর যোগাযোগ ছিল না।নদীই একমাত্র পথ তাও ঝুঁকিপূর্ণ। তাই বাবা ও কাকা জেলেদের ছোট দুটি নৌকা ঠিক করলেন।প্রান বাঁচাতে সুবিধা মত সময়ে নৌকা যাত্রা শুরু।

সেই যাত্রা আজও মনে আছে। নৌকায় বসে মায়ের কোলে দুই দুধের শিশু ভাই–বোন, দাদীর কাঁপা চোখ, আর আমরা ছোটরা যুদ্ধের শব্দ বুঝি না—শুধু নীরব সন্ত্রাস টের পাই।

নিরাপদ সময় বুঝে বিরতি দিয়ে নৌকা চলছে।
নদীমাতৃক এ দেশের বুক চিরে নৌকার সারি এগিয়ে চলল। দুই তীরের দিকে আগুনের ধোঁয়া, গুলির শব্দ, কোথাও কোথাও গ্রাম জ্বলতে দেখা যায়। পালাতে থাকা মানুষের মুখে আতঙ্ক, নিরাশা, ক্ষুধা—এইসব দৃশ্য শিশুমনে কেমন দাগ কেটেছিল আজ আর ব্যাখ্যা করতে পারি না।

দুই দিন পর আমরা মঠবাড়িয়ার তুষখালী বন্দরে পৌঁছালাম। সেখান থেকে জলপথ ধরে বাদুরা গ্রামের আমাদের বাড়ি। মনে হয়েছিল, এবার হয়তো শান্তি। কিন্তু যুদ্ধের সময়ে শান্তি কোথায়?

৩.হোগলা পাতার বিলে রাত কাটানো—শিশুমনে চিরস্থায়ী দাগঃ

বাড়িতেও নিরাপত্তা নেই। সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলেই পুরো পরিবার নৌকা নিয়ে চলে যেতাম হোগলা পাতার বিশাল বিলে। সকাল ফুটলে বাড়ি ফেরা।বিলে ভাসমান নৌকায় নির্ঘুম রাত কাটানো—এ যেন মৃত্যুর সঙ্গে প্রতিরাতে আচমকা খেলা।

চারদিকে অন্ধকার, মাঝে মাঝে দূরে গুলির শব্দ, কখনো কুকুরের ঘেউ–ঘেউ, কখনো মানুষের চিৎকার। মা দু’টি শিশুকে নিয়ে নৌকায় বসে থাকতেন। দুধের অভাবে তাঁদের পেট ফুলে উঠত। মা চাল ভেজে গুঁড়া করে লবণ–পানিতে মিশিয়ে খাওয়াতেন। সেই অসহায় কান্না আর মায়ের নীরব অশ্রু—আজও স্মৃতি হয়ে বুক ভিজিয়ে দেয়।

শিশুমনে তখন বুঝেছিলাম—যুদ্ধ শুধু বন্দুকের শব্দ নয়; যুদ্ধ মানে ক্ষুধা, ভয়, অনিশ্চয়তা, আর টিকে থাকার লড়াই।

৪.আগুন থেকে পালানো মানুষদের আশ্রয়—মানবতার মহিমাঃ
একদিন বিকেলে বাড়ির উঠানে অদ্ভুত ভিড়। শতাধিক হিন্দু নারী–পুরুষ–শিশু আগুনে পোড়ানো গ্রাম থেকে পালিয়ে এসেছে। তাদের কারও গায়ে পোড়া চাদর, কারও শরীরে রক্ত; সবাই আতঙ্কে কাঁপছে। তারা জানে না বাঁচবে কি না।

দাদী ভয় পেয়েছিলেন, কিন্তু মানবতার সামনে সব ভয় হার মেনেছিল। তিনি ধান সিদ্ধ করা ডোঙ্গায় ভাত রাধলেন, ভাতের সঙ্গে আলু–ডাল রান্না হলো। দুই দিন ধরে আমাদের পরিবার শতাধিক আতঙ্কিত মানুষকে কলার পাতায় খাইয়ে আশ্রয় দিয়েছিল।
সেই দৃশ্য আমার মনকে গড়ে দিয়েছে, শিখিয়েছে—যুদ্ধ মানুষকে পশু বানায় ঠিকই, কিন্তু মানুষের হৃদয়ের মানবতা তাকে আবার আলোকিতও করে।

৫.নানার বাড়িতে আশ্রয়—আরেক অধ্যায় ভয়েরঃ
বাদুরা গ্রামের বাড়িটিও অনিরাপদ হয়ে ওঠায় বাবা সিদ্ধান্ত নিলেন—সবাই যাবে ঝালকাঠীর কাঠালিয়া থানার সোনাউটার আমার নানার বাড়িতে। সেখানে দশ–বারোটি ঘর, শতাধিক মানুষ—মনে হয়েছিল কিছুটা নিরাপদ হবো।
কিন্তু যুদ্ধের ভয় কেড়েই নিল সেই নিরাপত্তাকে।
একদিন খবর এল—পাকবাহিনী আশপাশের গ্রামে ঢুকছে। তড়িঘড়ি সবাইকে এক পরিচিত বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হলো আশ্রয়ের জন্য। বাড়ির সামনে ঝোলানো লম্বা সাদা কাপড়ে আরবি হরফে লেখা কোনো দোয়া বা বাক্য—শিশুমনে তখন রহস্যময় লাগলেও আজ বুঝি—মৃত্যুর মুখ থেকে রক্ষা পাওয়ার এক মরিয়া উপায় ছিল সেটি।

৬.কাকার শহীদ হওয়ার খবর—দাদীর বুকফাটা কান্নাঃ
ঠিক তখনই এলো এক হৃদয়বিদারক সংবাদ—পটুয়াখালীতে কর্মরত আমার কাকা কং-৩২২ মোঃ শাহ আলম শরীফ ৭ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর গুলিতে শহীদ হয়েছেন। দাদীর আর্তনাদে যেন গোটা বাড়ি কেঁপে উঠল। বাবার চোখে জল, সবাই নিথর।

দাদীর মূখের দিকে তাকিয়ে
বাবা ও এক কাকা জীবন বাজী রেখে লাশ খুঁজতে গেলেন। কোথাও পাওয়া গেল না।তাঁর লাশ আর কখনোই পাওয়া যায়নি। খুঁজে খুঁজে ক্লান্ত হয়ে শূন্য হাতে ফিরে এলো তাঁরা—আর দাদীর কান্না থামল না।

হঠাৎ একদিন আমাদের বাড়ির পাশের ভূতাখালে একটি অজ্ঞাত লাশ ভাসতে দেখা গেল। দাদী দৌড়ে গিয়ে খালের কিনারে বসে বিলাপ শুরু করলেন—
“আহারে আমার শাহআলম! খালেই ভাসতেছে নাকি!”

লাশটি দীর্ঘদেহী, স্বাস্থ্যবান, শুধুমাত্র অন্তর্বাস পরা—গুলিবিদ্ধ।ভুড়ি বের হওয়া,চিৎ হয়ে ভাসছে। দাদী ঘন্টা খানেক কাঁদার পর কাকা আমাকে বললেন—
“লাঠি দিয়া ওটারে ঠেলে মাঝখানে দে।”

শিশুমনে মহা দায়িত্ব মনে করে আমি সেই কাজই করেছিলাম। সেই স্পর্শ, সেই দৃশ্য—আজও মনে হলে শরীর শিউরে ওঠে।
রাষ্ট্রের নথিতে আজও নেই কাকার নাম—
শাহ আলম শরীফ—কোথাও নেই।
কিন্তু আমাদের হৃদয়ে তিনি চিরন্তন বীর।রক্তের বাঁধন আজও ভুলাতে পারেনি।

৭.শহীদ কাকার পরিবার—এক নিঃশব্দ বিলাপঃ
কাকা রেখে গিয়েছিলেন দুই বছরের শিশুকন্যা—লাভলীকে। চাকুরীর সুবাদে স্নেহবঞ্চিত সেই শিশুটি ১৯৭২ সালে গুটিবসন্তে মারা যায়। শহীদ পিতাহারা ও অকালমৃত্যু—এই দ্বিগুণ শোক ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।

বিধবা কাকী সেলিনা বেগম শোক আর দারিদ্রে বিধ্বস্ত হয়ে কিছুদিন আমাদের সঙ্গে ছিলেন। পরে ফিরে গেলেন ঝালকাঠী জেলার নলছিটি থানার শ্রীরাম কাঠী গ্রামে—আর কখনো আমাদের জীবনে ফিরে আসেননি।
বেঁচে আছে কিনা বা কেমন আছেন জানিনা। খোজ খবর নিয়েও পাইনি।
দাদী ১৪ বছর ধরে প্রতিদিন সকাল–বিকেল কাঁদতেন তাঁর শাহ আলমকে ডেকে। ১৯৮৪ সালে দাদীর মৃত্যু হয়। তাঁর চোখের জলে ভেসে গেছে অনেক ইতিহাস, যা রাষ্ট্র কখনো দেখেনি—আমরা দেখেছি।দেশের জন্য জীবন বিসর্জন দেয়া শাহআলমের স্মৃতিরক্ষা কল্পে রাষ্ট্রযন্ত্র কিছু ই করেনি।

৮.বাবার সংগ্রাম—অবহেলিত এক ইতিহাসঃ
যুদ্ধের অস্থিরতা, পালিয়ে বেড়ানো, জীবন বাঁচানো—এসবের মধ্যে বাবাকে খুব কমই কাছে পেয়েছি। তারপরও তিনি থেমে থাকেননি। তাঁর ব্যক্তিগত দুই নলা বন্দুক, আর কাকার এক নলা বন্দুক নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যোগ দিয়েছিলেন সরাসরি যুদ্ধে।তারা গতও হয়েছেন আগেই। কোন এলাকায় যুদ্ধ করেছেন জানিনা।
বিজয়ের সময় ঘনিয়ে এলে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ এলে বাবা তাঁর বন্দুকগুলো জমা দেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানায়। কিন্তু নথিপত্র হারিয়ে যায়। বন্দুকগুলো আর কখনো ফেরত পাওয়া যায়নি।
এটিও এক অবহেলিত ইতিহাস—যার সাক্ষী আমরা।

৯.মুক্তিযুদ্ধের শোকগাথা—যা না দেখলে বোঝা যায় নাঃ
জন্ম যন্ত্রণা মা ছাড়া কেউ বুঝেনা। আজও মনে প্রশ্ন জাগে—
যারা যুদ্ধ দেখেনি, তারা কি কখনো বুঝবে—

হোগলা পাতার বিলে নির্ঘুম রাত কাটানো কতটা ভয়ের ছিল?
একটি অজ্ঞাত লাশ ঠেলে দেওয়া একটি শিশুর অভিজ্ঞতা কতটা নির্মম?
একজন মা তার শহীদ ছেলের জন্য ১৪ বছর ধরে বিলাপ করলে সেই কান্না কতটা গভীর?
একটি পরিবার যখন চিরকালের জন্য অসম্পূর্ণ হয়ে যায়—তার যন্ত্রণা কতটা অন্তহীন?

মুক্তিযুদ্ধ কেবল বীরত্বগাথা নয়, এটি অগণিত ব্যথার, কান্নার, ত্যাগের সমষ্টি।

১০.প্রজন্মের প্রতি আহ্বান—স্মৃতি যেন বেঁচে থাকেঃ
স্বাধীনতার প্রতিটি বিন্দুর পেছনে অগণিত রক্ত, অশ্রু, ত্যাগ লুকিয়ে আছে। রাষ্ট্রের তালিকা, নথিপত্র, সনদ—কখনোই সেই ঋণ শোধ করতে পারবে না।
আমরা পারবও না।

কিন্তু দায়িত্ব আমাদেরই—
স্মৃতিকে বাঁচিয়ে রাখা, ইতিহাসকে সত্যরূপে বলা,
আর নতুন প্রজন্মকে জানানো—
স্বাধীনতা কোনো উপহার নয়;এটি অর্জন করা হয়েছে মানুষের জীবন দিয়ে, রক্ত দিয়ে, আর অসীম সাহস দিয়ে।
আমার শিশুমনের সেই একাত্তরের দিনগুলো তাই শুধু ব্যক্তিগত স্মৃতি নয়—হাজারো পরিবারের মধ্যে এটি এক পরিবারের শোকবহ ইতিহাস, সমুদ্রসম দীর্ঘশ্বাস,একটি জাতির জন্ম যন্ত্রণার দলিল, আর মানবতার উদ্ভাসিত মহাকাব্য।
লেখক–
সাধারণ সম্পাদক
মঠবাড়িয়া প্রেসক্লাব
পিরোজপুর।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর