মোঃ জোনায়েদ হোসেন জুয়েল,
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি কিশোরগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটিকে আগামী ৬ (ছয়) মাসের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন প্রদান করেছে। গত ২৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে কিশোরগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সভার সিদ্ধান্তের আলোকে কেন্দ্রীয় সংগঠনের কাছে আবেদন করা হলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির জারি করা অনুমোদনপত্র অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ আগস্ট থেকে আগামী ৬ মাস এই আহ্বায়ক কমিটি দায়িত্ব পালন করবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ নির্বাচিত কমিটি গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

আহ্বায়ক কমিটির নেতৃত্বে যারা
আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জনাব আনিছুজ্জামান বাবুল। সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জনাব শহিদুল ইসলাম।
এছাড়া যুগ্ম-আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন আমিনুল ইসলাম আশফাক, আলমগীর মুরাদ রেজা, এ কে এম সামছুজ্জামান রানা, আফতাব উদ্দিন মিলন, আব্দুল্লাহ আল-মাসুদ সুমন, আরিফুল ইসলাম আরজু, মো. দিদারুল হক এবং ইফতেখার আহম্মেদ মানিক।
কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন হাজী মো. ইসরাইল, এ বি সিদ্দিক ইনসু, মো. শাহজাহান, হাবিবুর রহমান, সিহাব উদ্দিন আহাদী মানিক, মাসুদুর রহমান পল্লব, আহম্মেদ কবির সোহাগ, হুমায়ুন কবির, আব্দুস সামাদ সবুজ, জাহাঙ্গীর আলম, আশিকুল ইসলাম শ্যামল, রেজয়ানুল আলম জোসেফ, মো. শামছুজ্জামান ভূঞা রিটু, সৈয়দ আলী মুজতবা তাজবীর, আলমগীর হোসেন, আমিনুল হক, মো. সুমন খান, শফিকুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা পারভেজ, শামছুল ইসলাম এবং মাজহারুল ইসলাম সোহেল।
কেন্দ্রীয় সমিতির গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
অনুমোদনপত্রে আহ্বায়ক কমিটির জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:
প্রয়োজনবোধে যে কোনো সময় এই কমিটির অনুমোদন বাতিল করার ক্ষমতা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি সংরক্ষণ করবে।
সকল পরিবহন মালিকের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষায় কাজ করতে হবে।
আগামী ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন অথবা সকল সাধারণ মালিকের মতামতের ভিত্তিতে একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে হবে।
টার্মিনাল ও রুটে যানজট নিরসন এবং যেকোনো ধরনের অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে এবং যানবাহনে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে প্রতি মাসে অন্তত একবার মালিক ও চালকদের নিয়ে কাউন্সেলিং বা মোটিভেশন সভার আয়োজন করতে হবে।
মালিক স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড বা অবৈধ চাঁদাবাজির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি প্রয়োজন হলে কমিটির অনুমোদনও বাতিল করা হবে।
নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির সদস্যরা পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, মালিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ, সড়কে নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ এবং যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

Leave a Reply