1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দেশ ও স্বাস্থ্যখাতে অস্থিরতা সৃষ্টির প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে ড্যাবের মানববন্ধন মাদকাসক্ত স্বামী ও দেবরের নির্যাতনে হাসপাতালে দুই সন্তানের জননী প্রিতিলতা, বিচার চেয়ে আকুতি মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের ‘বেরিয়ে যেতে’বললেন ডিসি—মহম্মদপুর প্রেসক্লাবের তীব্র প্রতিবাদ রাজা নয়, জনগণের সেবকবোরকা পরে বা পরিচয় ভুলে মাঠে নামুন, স্যার! দেখুন জনগণ কীভাবে সেবা পায় মোরেলগঞ্জের বহরবুনিয়ায় ডালিমের অত্যাচারে অতিষ্ঠ গ্রামবাসী, বিচারের দাবিতে মানববন্ধন মিরুখালী স্কুল অ্যান্ড কলেজে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে অভ্যন্তরীণ বনভোজন ‘মেলবন্ধন’ ​৩৯৫ পিস ইয়াবাসহ তুরাগে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আলফাডাঙ্গায় চা-দোকানি রবিউল হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মারুফ গ্রেপ্তার আলফাডাঙ্গায় শ্যালকের ওপর ভগ্নিপতির হামলা: প্রতিবন্ধী দ্বীন ইসলামের হাত ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ​মাদকের অন্ধকার ঠেকাতে কাবাডির মাঠে মহম্মদপুরের তারুণ্যের লড়াই

হস্তান্তরের আগেই ঝুঁকিতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১৮ ঘর: আতঙ্কে ভূমিহীনরা

  • প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৫ বার পড়েছেন

​ প্রতিবেদক :আশাশুনি (সাতক্ষীরা) | ১০ মার্চ, ২০২৬

​সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় মাথা গোঁজার ঠাঁই পাওয়ার আগেই দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ভূমিহীন পরিবারগুলো। উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের মহিষকুড় এলাকায় নবনির্মিত আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১৮টি ঘর হস্তান্তরের আগেই নদী ও ঘেরের ভাঙন ঝুঁকিতে পড়েছে। ঘরগুলোর চারপাশের মাটি ধসে যাওয়ায় প্রকল্পের স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে জনমনে তীব্র প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
​সরেজমিনে বর্তমান চিত্র
​সরেজমিনে দেখা যায়, সারিবদ্ধভাবে নির্মিত ঘরগুলোর দুই পাশেই রয়েছে বিশাল মৎস্য ঘের। ঘরগুলোর সামনে ও পেছনের অংশে মাটি ধসে বড় বড় ফাটল তৈরি হয়েছে। ভাঙন ঠেকাতে যে প্যালাসাইডিং ব্যবহার করা হয়েছিল, তার বড় একটি অংশ ইতোমধ্যে হেলে পড়েছে। ভাঙন ঘরগুলোর একদম কিনারে চলে আসায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
​প্রকল্পের ব্যয় ও বর্তমান অবস্থা
​উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী:
​জমির পরিমাণ: ৫৫ শতক।
​ঘরের সংখ্যা: ১৮টি।
​প্রতি ঘরের নির্মাণ ব্যয়: ২ লক্ষ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা।
​মোট প্রকল্প ব্যয়: ৪৬ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা।
​দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পর প্রায় এক বছর পার হয়ে গেলেও অজ্ঞাত কারণে ঘরগুলো এখনো উপকারভোগীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় এবং তদারকির অভাবে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা আরও বেড়েছে।
​”প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্প উদ্বোধনের আগেই ধসে পড়া অত্যন্ত হতাশাজনক। ঘর তৈরির আগে জমির ধরন ও চারপাশের ঘেরের প্রভাব বিবেচনা করা উচিত ছিল। আমরা চাই দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং ঘরগুলো টেকসই করে ভূমিহীনদের বুঝিয়ে দেওয়া হোক।”
— শেখ হাবিবুর রহমান, স্থানীয় সমাজকর্মী।
​কর্তৃপক্ষের বক্তব্য
​ভাঙনের বিষয়টি স্বীকার করে আশাশুনি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম জানান, “প্রকল্পের দুই পাশের ঘের মালিকরা পানি সেচ দিয়ে শুকিয়ে ফেলায় প্যালাসাইডিং কাত হয়ে পড়েছে। আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। ঘেরে পুনরায় পানি আসলে এটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
​শঙ্কা ও দাবি
​স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, সামনে বর্ষা মৌসুম শুরু হলে পানির চাপ আরও বাড়বে, যা ভাঙনের মাত্রাকে ভয়াবহ রূপ দিতে পারে। সরকারের এই মহৎ উদ্যোগ যেন অপচয় না হয়, সেজন্য দ্রুত টেকসই বাঁধ বা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন শ্রীউলা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর