মোঃ জোনায়েদ হোসেন জুয়েল,
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার ও নগরবাসীকে সচেতন করার লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে কিশোরগঞ্জ পৌরসভা। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, ময়লা-আবর্জনা অপসারণ এবং পরিচ্ছন্ন শহর গড়ার প্রত্যয়ে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্ন অভিযান ২০২৬’ শুরু করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১০টার পর কিশোরগঞ্জ শহরের রথখলা ময়দানে ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচির সূচনা হয়। পৌরসভার উদ্যোগে পরিচালিত এ অভিযানে পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তোলার পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (ডিডিএলজি) ও কিশোরগঞ্জ পৌরসভার পৌর প্রশাসক জেবুন্নাহার শাম্মী, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী (পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন) শহীদুল হক, উপসহকারী প্রকৌশলী ফারুক আহমেদ, উপসহকারী প্রকৌশলী আজিজুল হক জুয়েল, পৌর পুলিশ জিন্নাতুই ইসলামসহ সকল পৌর পুলিশ সদস্য এবং পানি শাখার রইছ উদ্দিনসহ পৌরসভার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখার বিকল্প নেই। বাড়ির আঙিনা, ছাদ, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, নালা-নর্দমা ও আশপাশের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তার হতে পারে। তাই শুধু পৌরসভার উদ্যোগ নয়, প্রতিটি নাগরিকের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

নগরীর বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা জমতে না দেওয়া, নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলা এবং কোথাও পানি জমে থাকলে তা দ্রুত অপসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার মাধ্যমে মশার প্রজননস্থল কমিয়ে আনা সম্ভব।
কিশোরগঞ্জ পৌরসভার এ উদ্যোগকে নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্মিলিত সচেতনতা তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ ধরনের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি নাগরিকদের সহযোগিতা নিশ্চিত করা গেলে শহরকে আরও পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত রাখা সম্ভব হবে।

Leave a Reply