1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কাশিয়ানীতে ‘স্বপ্নছোঁয়া’ ফ্যাশন হাউজে আলফাডাঙ্গা’র গণমাধ্যমকর্মীদের আড্ডা ও কেনাকাটা এম.এ খালেক মহাবিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন সরদার মোঃ নুরুজ্জামান মোরেলগঞ্জে আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০২৬ অনুষ্ঠিত কাশিয়ানীর মহেশপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই যুবকের মৃত্যু। মহাম্মদপুর বিএনপি’র একাংশের বিভিন্ন দপ্তরের চাঁদাবাজির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ। মানুষ শ্রেষ্ঠ জীব—তবু কখনো কেন পশুকেও হার মানায়? দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটের ট্রেনের যাত্রাবিরতি; উচ্ছ্বসিত মহেশপুর-কাশিয়ানীর মানুষ কুড়িগ্রামে ৪টি বিদ্যালয়ে ফল বিপর্যয়, সবাই ফেল কুড়িগ্রামের উলিপুরে স্ত্রীর যৌতুকের মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার পুলিশের বিশেষ অভিযানে মোরেলগঞ্জে ১০ জান গ্রেপ্তার

চিলমারীতে আবারও ধ্বস ব্রহ্মপুত্রেরডানতীর রক্ষা বাঁধে, বাড়ছে আতঙ্ক

  • প্রকাশিত সময় : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬
  • ৪২ বার পড়েছেন

হুমায়ুন কবির সূর্য, কুড়িগ্রাম: ০২-০৭-২০২৬

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা বাঁধের কাঁচকোল সড়কটারী এলাকায় তিনটি স্থানে ধ্বস ও একাধিক স্থানে ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী এলাকায় ভাঙন ও বন্যা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।


বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে ব্রহ্মপুত্রের ডানতীর রক্ষা বাঁধে ধ্বসের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিবুল হাসান।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাঁধের প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকায় ১০, ১২ ও ৬ মিটার অংশের ব্লক পিচিং ধ্বসে গেছে। এছাড়াও অন্তত ১০টি স্থানে ফাঁটল দেখা দিয়েছে। ঝুঁকিতে রয়েছে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ৪৪৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ডানতীর রক্ষা প্রকল্পে ২০১৮ সাল থেকে একাধিকবার ধ্বসের ঘটনা ঘটলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি। ফলে প্রতি বর্ষা মৌসুমে আতঙ্কে থাকতে হয় তাদের।


কাঁচকোল সড়কটারী এলাকার বাসিন্দা মো. খতিব উদ্দিন বলেন, ডানতীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের পর আমরা নদীভাঙন থেকে কিছুটা রক্ষা পেয়েছিলাম। কিন্তু কয়েক বছর ধরে বারবার ধ্বসের ঘটনায় আমরা আবারও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি। পানি উন্নয়ন বোর্ড এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোনো সমাধান দিতে পারেনি। বাঁধটি ভেঙে গেলে আমরা সর্বস্ব হারিয়ে আবারও ভাঙন ও বন্যার কবলে পড়ব।
স্থানীয় বাসিন্দা নুরজাহান বেগম ও নুর নাহার বেগম বলেন, ‘প্রতিবার বর্ষা মৌসুম এলেই আমরা আতঙ্কে থাকি। এবারও বাঁধে ধ্বসের খবর শুনে দিন-রাত উদ্বেগে কাটছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আমাদের বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।’
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান জানান, জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। আশা করছি ২-১ দিনের মধ্যে বাঁধটি ঝুঁকিমুক্ত হবে। আতংকের কিছু নেই আমরা সব ধরনের উদ্যোগ নিয়েছি। #

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর