1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কাশিয়ানীতে ‘স্বপ্নছোঁয়া’ ফ্যাশন হাউজে আলফাডাঙ্গা’র গণমাধ্যমকর্মীদের আড্ডা ও কেনাকাটা এম.এ খালেক মহাবিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন সরদার মোঃ নুরুজ্জামান মোরেলগঞ্জে আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০২৬ অনুষ্ঠিত কাশিয়ানীর মহেশপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই যুবকের মৃত্যু। মহাম্মদপুর বিএনপি’র একাংশের বিভিন্ন দপ্তরের চাঁদাবাজির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ। মানুষ শ্রেষ্ঠ জীব—তবু কখনো কেন পশুকেও হার মানায়? দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটের ট্রেনের যাত্রাবিরতি; উচ্ছ্বসিত মহেশপুর-কাশিয়ানীর মানুষ কুড়িগ্রামে ৪টি বিদ্যালয়ে ফল বিপর্যয়, সবাই ফেল কুড়িগ্রামের উলিপুরে স্ত্রীর যৌতুকের মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার পুলিশের বিশেষ অভিযানে মোরেলগঞ্জে ১০ জান গ্রেপ্তার

নন্দীগ্রামে ফিরেছে দুর্লভ শামুকখোল: আবাসস্থল নিয়ে সচেতনতার তাগিদ

  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৩২ বার পড়েছেন

সুমন কুমার নিতাই, বগুড়া প্রতিনিধি:

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার বিস্তীর্ণ সবুজ মাঠ ও জলাভূমিতে আবারও দেখা মিলেছে দুর্লভ প্রজাতির শামুকখোল পাখির। শত শত শামুকখোলের কলরবে ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মুখর হয়ে উঠেছে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা। ধান কাটা মাঠে ঝাঁকে ঝাঁকে নেমে পাখিগুলোর খাবার সংগ্রহের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখতে ভিড় করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রকৃতিপ্রেমীরা।

গত রোববার সকালে উপজেলার রিধইল মাঠে প্রায় দুই থেকে তিনশ শামুকখোলকে একসঙ্গে খাবার সংগ্রহ করতে দেখা যায়।

স্থানীয়দের তথ্যমতে, রিধইল গ্রামের চারপাশের বাঁশবাগান, শিমুল, কদম, পাকুড় ও মেহগনি গাছের উঁচু ডালে বাসা বেঁধেছে এই পাখিরা। এছাড়া কপাল মাঠসহ বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত দেখা মিলছে এদের। দিনের আলোয় বিল ও কৃষিজমি থেকে শামুক, ব্যাঙ, ছোট মাছ ও কাঁকড়া খেয়ে সন্ধ্যা নামলেই তারা ফিরে যায় নিজস্ব আবাসে।

ধূসর-সাদা রঙের এই পাখির ডানা বেশ বড়, ঠোঁট লম্বা এবং মাঝখানে ফাঁকা। এই বিশেষ গঠনের ঠোঁট দিয়েই তারা সহজে শামুকের খোল ভেঙে ভেতরের অংশ খেতে পারে। প্রজনন মৌসুমে এদের দেহ আরও উজ্জ্বল সাদা রঙ ধারণ করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এরা শুকনো ডাল ও লতাপাতা দিয়ে ১০-১২ দিনে বাসা তৈরি করে। জুলাই-আগস্ট মাসে সাধারণত তিন থেকে পাঁচটি ডিম পাড়ে এবং প্রায় ২৫ দিনে ডিম ফুটে ছানা বের হয়। মাত্র এক মাসের কিছু বেশি সময়েই ছানাগুলো উড়তে সক্ষম হয়।

নন্দীগ্রাম উপজেলা বনবিভাগের কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, পরিযায়ী পাখিরা বিভিন্ন মৌসুমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ভ্রমণ করে। সাধারণত যেখানে তারা নিরাপদ আশ্রয় ও পর্যাপ্ত খাবার পায়, সেখানেই কয়েক মাস পর্যন্ত অবস্থান করে। তিনি আরও বলেন, রিধইল গ্রামে আশ্রয় নেওয়া এই অতিথি পাখিদের কেউ যেন কোনোভাবে বিরক্ত না করে বা শিকার করতে না পারে, সেজন্য এলাকাটি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর