1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটের ট্রেনের যাত্রাবিরতি; উচ্ছ্বসিত মহেশপুর-কাশিয়ানীর মানুষ কুড়িগ্রামে ৪টি বিদ্যালয়ে ফল বিপর্যয়, সবাই ফেল কুড়িগ্রামের উলিপুরে স্ত্রীর যৌতুকের মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার পুলিশের বিশেষ অভিযানে মোরেলগঞ্জে ১০ জান গ্রেপ্তার দিনমজুর বাবার সাথে কৃষি জমিতে হাড়ভাঙ্গা খাটুনি খেটেজিপিএ-৫ পেল কুড়িগ্রামের পলাশ চন্দ্র রায় ভ্যাপসা গরম ও ঘন ঘন বিদ্যুতের লোডশেডিং এ অতিষ্ঠ তারাগঞ্জবাসী কুড়িগ্রাম সীমান্তে বাংলাদেশী যুবককে আটক বিএসএফ’র কিশোরগঞ্জে পৈত্রিক জমিতে হামলার অভিযোগ, যুবককে কুপিয়ে জখম মোরেলগঞ্জে নারীসহ চার মাদককারবারিকে অর্থদন্ডসহ কারাদণ্ড খুলনায় জলবায়ু অভিবাসন কেন্দ্রের পরিচালন নির্দেশিকা প্রণয়নে যৌথ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

তারাগঞ্জে পাট চাষিদের প্রশিক্ষণে চরম অনিয়ম: প্রকৃত পাটচাষি কৃষকরা বঞ্চিত, বীজ মিলছে মৌসুম শেষে!

  • প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬
  • ১১৯ বার পড়েছেন


শহীদুল ইসলাম প্রতিনিধি তারাগঞ্জ (রংপুর):

রংপুরের তারাগঞ্জে পাট চাষিদের জন্য আয়োজিত বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও সরকারি বীজ বিতরণ কর্মসূচিতে চরম অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। উন্নত জাত ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপজেলা পাট কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে মাত্র ৬০ জন চাষিকে নিয়ে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হলেও, মাঠপর্যায়ের প্রকৃত পাট চাষিদের সেখানে কোনো স্থান হয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষকরা। ​

অনুসন্ধানে ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারিভাবে পাটবীজ ও প্রশিক্ষণের বড় বরাদ্দ থাকলেও তারাগঞ্জের প্রকৃত কৃষকরা তার সুফল পাচ্ছেন না। অভিযোগ উঠেছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত পাট কর্মকর্তা নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে নিজের খেয়ালখুশিমতো অফিস পরিচালনা করেন। ফলে সাধারণ কৃষকদের বড় অংশই তাকে চেনেন না। এমনকি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও এই প্রক্রিয়ায় মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। ​এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য বলেন, “পাট কর্মকর্তা তারাগঞ্জে কর্মরত থাকলেও হাতেগোনা কয়েকজন ছাড়া তাকে কেউ চেনে না। আমার মনে হয় তিনি নিজের আত্মীয়স্বজন ছাড়া কোনো চাষি তৈরি করেননি। আমি একজন জনপ্রতিনিধি হয়েও আমার এলাকার কোনো প্রকৃত চাষিকে আজ পর্যন্ত তার মাধ্যমে সুবিধা পাইয়ে দিতে পারিনি।”​কৃষকদের অভিযোগ, উপজেলা পাট কর্মকর্তার আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব এবং ভেড়ার খামার মালিকদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে প্রশিক্ষণের নামে সরকারি অর্থ অপচয় করা হচ্ছে। ক্ষুব্ধ এক কৃষক আক্ষেপ করে বলেন, “আমরা করি পাট চাষ, আর ট্রেইনিং করে ভেড়ার খামারিরা!”


​শুধু প্রশিক্ষণেই নয়, সরকারি পাটবীজ বিতরণ নিয়েও উঠেছে লঙ্কাকাণ্ড। নিয়ম অনুযায়ী বীজ রোপণের সুনির্দিষ্ট সময়ে তা কৃষকদের হাতে পৌঁছানোর কথা থাকলেও, তারাগঞ্জে বীজ দেওয়া হচ্ছে মৌসুম শেষ হওয়ার পর। ফলে এই বীজ পাটের ফলনে কোনো কাজে আসছে না। বাধ্য হয়ে অনেক কৃষক সেই বীজ কেবল পাটশাক খাওয়ার জন্য রোপণ করছেন, আবার অনেকেই বীজ না বুনে প্যাকেটে করে বাসায় ফেলে রাখছেন। ​সরকারি একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের এমন চরম স্বেচ্ছাচারিতা, স্বজনপ্রীতি ও দায়িত্বহীনতায় তারাগঞ্জের প্রকৃত পাট চাষিদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। সোনালী আঁশের সুদিন ফিরিয়ে আনতে এবং সরকারের উন্নয়নমুখী উদ্যোগ সফল করতে এই অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী কৃষকরা। কোথায় দেখা না- পেয়ে তারাগঞ্জ উপজেলা পাট কর্মকর্তা নোমান এর মুঠোফোন 01738148012 নম্বরে একাধিক বার যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয় নাই। এঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোনাববর হোসেন বলেন, পাট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের কথা শুনেছি তদন্ত করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর