1. admin@deshbanglakhabor.com : admin :
  2. e.mominbd@gmail.com : MOMIN :
  3. samira01606@gmail.com : SAMIRA : Sumaya Samira
  4. farhanaenterprise18@gmail.com : SHOFIKUL :
       
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
উত্তরখানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার, নেপথ্যে নানা প্রশ্ন তারাগঞ্জে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঋণ দেয়ার নামে হয়রানি ও নারীকে কুপ্রস্তাবের অভিযোগ সারের ডিলার নিয়োগে চরম দলীয়করণ ও দুর্নীতির অভিযোগ! যশোরে জামায়াতের ৫ এমপির তোপ হতদরিদ্রদের সোলার বিদ্যুৎসহ কিশোরীদের বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে বাইসাইকেল​— দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু কুড়িগ্রামে খরায় মিলিবাগ পোকার হানা: ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় দেড় শতাধিক কৃষক ইছামতীতে নিজ নিজ সীমানায় প্রতিমা বিসর্জন, হলো না দুই বাংলার মিলনমেলা শার্শায় ১৮টি স্বর্ণের বার ও মোটরসাইকেলসহ চোরাচালানকারী গ্রেপ্তার আলফাডাঙ্গায় বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট হেমায়েত হোসেন ​ফায়দাবাদ এলাকাকে মাদক ও কিশোর গ্যাংমুক্ত করতে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার আহ্বান: হেলাল তালুকদার কুড়িগ্রামে বড় ভাইয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে নাতির হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

ইছামতীতে নিজ নিজ সীমানায় প্রতিমা বিসর্জন, হলো না দুই বাংলার মিলনমেলা

  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৮ বার পড়েছেন

এমএ মামুন, সাতক্ষীরা:

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার ইছামতি নদীতে বাংলাদেশ ও ভারতের নিজ নিজ সীমানায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসব। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিজয়া দশমীতে ঐতিহ্যবাহী এ নদীতে দুই বাংলার মানুষের মিলনমেলা না হওয়ায় হতাশ হয়েছেন উৎসবে আসা হাজারো মানুষ।

বিজয়া দশমী উপলক্ষে সকাল থেকেই ইছামতি নদীর বাংলাদেশের টাউনশ্রীপুর ও ভারতের টাকি পৌরসভা এলাকার দুই পাড়ে মানুষের সমাগম বাড়তে থাকে। দুই দেশের বিভিন্ন এলাকার পূজামণ্ডপ থেকে প্রতিমা নিয়ে আসা হয় নদীর তীরে। তবে এবারও কঠোর নিরাপত্তার কারণে দুই দেশের মানুষের অবাধ মেলামেশা ও নৌযানে মিলিত হওয়ার সুযোগ হয়নি।

স্থানীয় কর্ণ বিশ্বাস, পারুল বিশ্বাস ও সুভাষ ঘোষ সহ অনেকে জানান, একসময় দেশ বিভাগের আগ থেকেই ইছামতি নদীর দুই তীরে বিজয়া দশমী উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী মিলনমেলা বসত। দেবহাটার টাউনশ্রীপুর থেকে ভারতের টাকি পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এ উৎসবে দুই বাংলার লাখো মানুষের সমাগম হতো। আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ ও ভাববিনিময়ের পাশাপাশি উৎসবকে ঘিরে নদীর দুই পাড়ে বসত নানা ধরনের দোকানপাট।

তাঁরা বলেন, দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী এ মিলনমেলা দুই বাংলার মানুষের সম্প্রীতির প্রতীক। কিন্তু কয়েক বছর ধরে নিরাপত্তার কারণে সেই চিরচেনা দৃশ্য আর দেখা যাচ্ছে না। এবারও নদীর দুই পাড়ে মানুষের উপস্থিতি থাকলেও মিলনমেলার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন অনেকে।

বুধবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের টাউনশ্রীপুর ও ভারতের টাকির নদীতীরে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ে। ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাসনাবাদ, টাকি ও হিঙ্গলগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকার প্রতিমা বিসর্জনের জন্য ইছামতী নদীতে আনা হয়। নদীর শূন্যরেখায় ডিঙি নৌকায় লাল পতাকা উড়িয়ে দুই দেশের সীমানা চিহ্নিত করতে দেখা যায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফকে।

ভারতের পাড়ে প্রতিমা বিসর্জন ও নৌযানে মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়লেও বাংলাদেশের পাড় থেকে কাউকে নৌকা নিয়ে নদীতে নামতে দেওয়া হয়নি। সীমান্তে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা টহল ও নজরদারি জোরদার করেন।

প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গোৎসব শেষ হয়। সন্ধ্যার পর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানান হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ।

মিলনমেলা দেখতে এসে হতাশ হয়ে বাড়ি ফেরেন অনেক দর্শনার্থী। ঐতিহ্যবাহী এ আয়োজনের স্মৃতি ও দুই বাংলার মানুষের মিলিত হওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকলেও এবারও তা বাস্তবে রূপ নেয়নি।

এ সময় বাংলাদেশের সীমান্তপাড়ে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহীন, দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, দেবহাটা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোনায়েম হোসেনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর